বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রকিবুর রহমান জানান, ওই নারীকে যৌন নিপীড়নের মামলায় জামিনে থাকা আসামি চিত্তরঞ্জন দাসের জামিন বাতিল করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার বাদী ভুক্তভোগী নারীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সবুজবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরে আদালত চিত্তরঞ্জন দাসের জামিন বাতিল করেন।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এ মামলায় জামিন বাতিলের আদেশের পর কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাসকে প্রিজন ভ্যানে করে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এক নারীকে যৌন নিপীড়নের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এ ঘটনায় গত ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকার সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের নেতা চিত্তরঞ্জন দাসের বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরদিন চিত্তরঞ্জন ঢাকার সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত শুনানি নিয়ে জামিন মঞ্জুর করেন।

মামলায় ওই নারী অভিযোগ করেন, রাজারবাগ কালীবাড়ি এলাকায় রাস্তার পাশে তাঁর শ্বশুরের চায়ের দোকান রয়েছে। দোকানটি সংস্কার করতে দিচ্ছেন না ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাশ। উল্টো তাঁর শ্বশুরের কাছে কাউন্সিলর ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন। এ বিষয়ে ওই কাউন্সিলরের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি তাঁর কার্যালয়ে তাঁকে যেতে বলেন। স্বামীর সঙ্গে কার্যালয়ে গেলে তিনি যৌন নিপীড়নের শিকার হন। এছাড়া ওই নারী সাংবাদমাধ্যমকে জানান, টাকার বিষয়ে কথা বলার পর কাউন্সিলর তাঁকে পাশের কক্ষে যেতে বলেন। কক্ষে ঢোকার পর কাউন্সিলর দরজা বন্ধ করে দেন। সেখানে কাউন্সিলর তাঁকে শ্লীলতাহানি করেন।

তবে চিত্তরঞ্জন অভিযোগ অস্বীকার করে প্রথম আলোকে বলেছিলেন, মন্দিরের সম্পত্তি দখল নিয়ে ওই নারীর শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিন ধরে মামলা চলছে। সে কারণে তিনি এটাকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়েছেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন