শোভন উদ্দিন সকালে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ফার্মগেটে এক ঘণ্টা বাসের জন্য অপেক্ষা করেছি। যে দু-একটা বাস আসছে, থামছে না। তাই বাধ্য হয়ে গরু আনতে যাওয়া পিকআপে উঠলাম।’

সেই পিকআপে ফার্মগেট থেকে মোট ১৬ জন যাত্রী ওঠেন। তাঁরা প্রত্যেকে ফার্মগেট থেকে গাবতলী যাওয়ার জন্য ৫০ টাকা করে দেন।

ফার্মগেটে বাসের জন্য আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করে সিএনজিচালিত অটোরিকশার খোঁজ করেন মো. রাকিবুল ইসলাম। তাঁরা যাবেন গাবতলী। সেখান থেকে সিরাজগঞ্জ। সিএনজিচালক ফার্মগেট থেকে গাবতলী যাওয়ার জন্য ভাড়া চান ৪০০ টাকা। পরে তাঁরা আর সিএনজির খোঁজ করেননি।

এত ভাড়া কেন, জানতে চাইলে সেই সিএনজিচালক প্রথম আলোকে বলেন, ‘শ্যামলীর পর থেকে তীব্র যানজট। তাই বেশি চেয়েছি।’

default-image

গাবতলী গরুর হাট ও গাবতলী বাস টার্মিনালে মানুষের ঢলের কারণে শ্যামলী থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত তীব্র যানজট রয়েছে।

আজ বিকেলে চিটাগাং রোডে আত্মীয়ের বাসায় যাওয়ার জন্য টেকনিক্যাল মোড়ে এক ঘণ্টার বেশি সময় অপেক্ষা করছিলেন মিরপুর আনসার ক্যাম্প এলাকার কামরুজ্জামান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘একটি বাস পেয়েছিলাম। ভাড়া চেয়েছিল ১০০ টাকা। অথচ আমি এই রাস্তা সব সময় ৪০ টাকা করে যাই। বাড়তি ভাড়া চাওয়ায় ওই বাসে উঠিনি। এখন তো আর বাসই পাচ্ছি না।’

সরেজমিন দেখা গেছে, ঢাকা সিটির ভেতরে চলাচলকারী অনেক পরিবহন ঈদে ঘরমুখী মানুষদের নিয়ে ঢাকার বাইরে যেতে দেখা গেছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন