default-image

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আজ রোববার বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। সঙ্গে ছিল বজ্রপাত। শিলাবৃষ্টি হয়েছে কিছু জায়গায়। এদিকে গাইবান্ধার ওপর দিয়ে আজ বিকেলে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীতে চারজন প্রাণ হারিয়েছেন।

চলাচল ও কাজে নিষেধাজ্ঞার আগের সন্ধ্যায় রাজধানীর মানুষ প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে ও দরকারি কাজে ছুটেছেন, তখন মানুষের স্বাভাবিক গতিতে কিছুটা ছেদ এনে দিয়েছে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি। সন্ধ্যা সাতটার দিকে রাজধানীতে ঝোড়ো হাওয়া শুরু হয়। শুরু হয় হালকা বৃষ্টি ও বজ্রপাত। এতে ভোগান্তিতে পড়ে মানুষ।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আজ সন্ধ্যায় ঢাকায় সর্বোচ্চ ৬৪ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হয়েছে দেশের অনেক জেলায়। এর মধ্যে রয়েছে রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, যশোর, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী ও ফরিদপুর। সন্ধ্যা পর্যন্ত যে তথ্য এসেছে তাতে দেখা গেছে, রাজশাহীতে বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। বগুড়ায় বাতাস বয়েছে ৪৮ কিলোমিটার গতিতে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিরও খবর পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপন

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক প্রথম আলোকে বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাতের বিষয়ে সকালেই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। বিকেল চারটার দিকে প্রথমে রাজশাহী থেকে ঝোড়ো হাওয়ার শুরু। পরে মেহেরপুর দিয়ে আরেকটি ঝড় শুরু হয়। একপর্যায়ে দুটি ঝড় মিলে দেশের বিভিন্ন জেলা দিয়ে তা বয়ে যায়। সন্ধ্যার পর রাজধানীতে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যায়।

এদিকে গাইবান্ধার ওপর দিয়ে আজ রোববার বিকেলে কালবৈশাখীতে গাছচাপায় তিন নারীসহ চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। কালবৈশাখীতে কাঁচা ঘরবাড়ি ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে মারা যাওয়া চারজন হলেন গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ডাকেরপাড়া গ্রামের ইউনুছ আলীর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৫০) ও মোস্তফাপুর গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে আবদুল গাফফার (৪২), সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কিশামত হলদিয়া গ্রামের সোলায়মান আলীর স্ত্রী ময়না বেগম (৪৭) ও ফুলছড়ি উপজেলার কাতলামারি গ্রামের বিশু মিয়ার স্ত্রী শিমুলি বেগম (২৬)।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন