default-image

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকার ১২টি থানায় হওয়া এসব মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে বিএনপি, যুব ও ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা রয়েছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশার ওয়ালিদ হোসেন এসব তথ্য দিয়েছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত রাজধানীতে মোট ১১টি বাস পোড়ানো হয়। এর মধ্যে বিমানবন্দর ও মোহাম্মদপুর থানায় কোনো গ্রেপ্তার নেই।

কলাবাগান থানায় হওয়া মামলায় এজাহারনামীয় ৪৯ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার আছেন ২ জন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন লালবাগের মহিবুর রহমান টিপু (২৮) ও মুগদার মদিনাবাগ এলাকার মাঈনুদ্দীন চৌধুরী।

শাহবাগে হওয়া মামলার সংখ্যা দুটি। একটিতে এজাহারনামীয় আসামির সংখ্যা ৩৭ জন, গ্রেপ্তার আছেন ৩ জন। অন্যটিতে এজাহারে নাম থাকা আসামির সংখ্যা ৪২ জন। এই মামলাতেও গ্রেপ্তার আছেন ৩ জন। গ্রেপ্তার ছয়জন হলেন ২০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি হযরত আলী (৭০), ২০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মইন উদ্দিন (৪২) এবং বংশালের আবু সাইদ ওরফে শান্ত (১৮)।

মতিঝিলের দুটি মামলায় এজাহারনামীয় আসামি সংখ্যা ৮৬ জন। দুই মামলায় গ্রেপ্তার দুজন। তাঁদের মধ্যে আবদুর রহমানের (২১) নাম নেই এজাহারে। অপর ব্যক্তি হলেন উত্তর মানিকনগরের জাকির (৪৬)।

বিজ্ঞাপন

পল্টনের ২ মামলায় এজাহারনামীয় ৭৫ জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও অনেকে আসামি।

এর মধ্যে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত দুজনসহ গ্রেপ্তার আছেন ছয়জন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চাটখিল উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক হুমায়ূন রশিদ টুটুল (৫৩), বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক খন্দকার মাসুকুর রহমান (৬০) ,যাত্রাবাড়ির এ কে ফজলুল বারী (৪৫), ভাটারার আলতাফ হোসেন (৫০), কলাবাগানের মো. নাঈম প্রধান (২৬) , ধানমন্ডির আসিফ মাহমুদ (৩০) এবং কাফরুলের বাসিন্দা মো. রাশেদুজ্জামান।

বংশালে এজাহারনামীয় ৫৪ জনের মধ্যে ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শাহরিয়ার ফাহিম (২০), সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শহিদুল্লা রানাসহ (৩৬) গ্রেপ্তার আছেন ৭ জন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন লালবাগের মোরশেদুর রহমান ওরফে জনি (৩৩). শফিউদ্দিন আহমেদ সেন্টু, মো. জনি (৩১) ও ফরহাদ হোসেন ওরফে বান্টি (৩১)।

উত্তরা পূর্ব থানায় এজাহারভুক্ত ২৮ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার আছেন ৮ জন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন দক্ষিণখানের মো. রাজীব হোসেন (২৬) ও দক্ষিণখানের রাজিব (২২), টঙ্গীর শাহিন মিয়া (২৮), আশিকুজ্জামান সোহেল (২৭), শাহীন খন্দকার (৩০), উত্তরার সাজ্জাদ হোসেন (২৩) ও উত্তরখানের মাহমুদ জামান (২৭)।

তুরাগ থানায় এজাহারভুক্ত ৩৩ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার আছেন টঙ্গীপূর্ব, গাজীপুরের মো. সোহেল মিয়া।

খিলক্ষেত থানার মামলায় এজাহারভুক্ত দুজন গ্রেপ্তার আছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ইঞ্জিনিয়ার মো. নজরুল ইসলাম (৬৩) এবং মশিউর রহমান মশি (৫৩)।

সূত্রাপুর থানায় এজাহারনামীয় ৫০ জন আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার আছেন ৮ জন। তাঁরা হলেন সাব্বির ভূইয়া (২২), মো. শাহীন (২৬), মো. বিপ্লব আহমেদ (২৭), মো. সাদ্দাম (৩৪) ও মো. তরিকুল ইসলাম (২৫)। ডিএমপি বলছে তদন্তে নাম এসেছে এমন তিনজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁরা হলেন হাজি মো. আহসানউল্লাহ মেম্বার (৬০), নব গোপাল দত্ত (৬৫) ও আহাম্মদে মাসুদ কাজল (৩২)।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0