বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরিবারের দাবি, আনোয়ার শহিদকে কল্যাণপুরের বাসা থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। যদি ছিনতাইকারীরা তাঁকে ছুরিকাঘাত করত, তবে তাঁর সঙ্গে থাকা মুঠোফোন ও মানিব্যাগ খোয়া যেত। কিন্তু সেটা হয়নি।

নিহত ব্যক্তির ভাগনি সাবিহা নাহিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘মামা গম গবেষণা কেন্দ্রের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা। সন্ধ্যা সাতটার দিকে মামার মুঠোফোন থেকে কল করে আমাদের সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যেতে বলা হয়। আমরা সেখানে গিয়ে দেখি মামা মারা গেছেন।’

সাবিহা বলেন, ‘বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মামা আমাদের বলেছিলেন, দিনাজপুর থেকে কেউ একজন তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন। তাঁর সঙ্গে দেখা করতে শ্যামলী যাচ্ছেন। তবে আমাদের ওই ব্যক্তি সম্পর্কে কিছু বলে যাননি।’

আদাবর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাদব চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। তবে হত্যার কারণ উদ্‌ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তির গ্রামের বাড়ি নীলফামারীর ডোমারে। কয়েক বছর আগে স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। তাঁর কোনো সন্তান নেই। তিনি অবসরে যাওয়ার আগে দিনাজপুরে ১৫ বছরের মতো চাকরি করেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন