বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী সরকারি কৌঁসুলি আলী আসগর প্রথম আলোকে জানান, রেলওয়ে কলোনিতে শিশুটির পরিবার একটি বাসায় ভাড়া থাকত। বাসাটি যাঁর নামে বরাদ্দ তিনি থাকতেন না। ওই বাসায় শিশুটির পরিবারসহ দুটি পরিবার সাবলেট হিসেবে ভাড়ায় থাকত, দ্বিতীয় পরিবারটি আরিফের। আরিফ ওই কলোনির নিরাপত্তারক্ষীও ছিলেন। ২০১৯ সালের ২৯ এপ্রিল শিশুটি গোসল করতে গেলে আরিফ সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। শিশুটির মা–বাবা তখন বাসায় ছিলেন না।

মামলার কাগজপত্রের তথ্য বলছে, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে আরিফকে আসামি করে মামলা করেন। তখনই আসামি আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলাটি তদন্ত করে গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর আদালতে আরিফের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। আর আদালত গত ১৪ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ১১ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন