আরিফ মহিউদ্দিন আরও বলেন, পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী চক্রের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ইফতারের সময় এবং সাহ্‌রির পরে তুলনামূলক জনশূন্য রাস্তায় ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।

ওয়ারীর কাপ্তান বাজারের চাঁদাবাজির বিষয়ে আরিফ মহিউদ্দিন বলেন, সেখানে চাঁদাবাজি হয় রাত ১২টার পর। চলে ভোর পর্যন্ত। মুরগি বহনকারী কোনো গাড়ি এই বাজারে ঢুকলে গাড়ির ধরন ও মুরগির সংখ্যার ওপর নির্ভর করে চাঁদার পরিমাণ ঠিক করে তা আদায় করা হয়। কেউ চাঁদা দিতে না চাইলে নানাভাবে হয়রানিও করা হয়।
রমনার শান্তিনগরের চাঁদাবাজির বিষয়ে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, সেখানে মূলত রাস্তার ধারে ভাসমান দোকান থেকে নির্দিষ্ট হারে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করা হয়। সকাল ও বিকেল দুই বেলা চাঁদা আদায় করা হয়। এ কাজে চার থেকে পাঁচজনের একটি দল জড়িত।

বিভিন্ন এলাকার দোকানদার ও লেগুনাস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির বিষয়ে র‍্যাব জানায়, চাঁদার টাকা না দিলে গ্রেপ্তার এই আসামিরা দোকানদারদের বিভিন্নভাবে হুমকি ও মারধর করেন। তাঁদের চাঁদা না দেওয়া হলে লেগুনা চলতে দেওয়া হয় না। তখন লেগুনাচালকেরা পেটের দায়ে বিনা প্রতিবাদে তাঁদের চাঁদা দিতে বাধ্য হন।

default-image

গতকাল র‍্যাবের পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. সোলাইমান, নুর হোসেন, শাহজালাল, আলী হোসেন, আরিফ হোসেন, সাইফুল ইসলাম, মাসুম, শিবলু, মোক্তার হোসেন, মুন্না, সাইমন, মো. রনি, আবদুল মান্নান, বাবুল হাওলাদার, আবুল কাশেম, নুরুল হক, রাকিব খান, মো. মাসুদ, মো. জনি, আকাশ, মো. নাইম, মাজাহারুল ইসলাম, রাকিব, মো. নাইম ব্যাপারী, সজীব, বাবুল হোসেন, ইসমাইল, মো. রবিন, মো. সেলিম, ইয়াসিন আরাফাত, নুর হোসেন, মহব্বত হোসেন, মো. লিটন, আরিফ, সাব্বির হোসেন জুবায়ের, হেমায়েত হোসেন, মো. ফারুক, শাহ পরান, কামরুল হাসান, মো. মিজান ও মো. সেলিম।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন