বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যমুনা টিভির জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মনিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে দেখি, সিলিং থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। পরে ভবনে থাকা অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা দিয়ে প্রথমে আমরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। কিন্তু আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় আমরা বেলা ১১টা ৩ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসে ফোন দিই।’ তিনি আরও বলেন, ‘ওই সময় ভেতরে ১৫ জন কাজ করছিলাম। সবাই নিরাপদে নিচে নেমে এসেছি। আগুনে ১৫টি ক্যামেরা, ৩টি সম্পাদনা বা এডিটিং প্যানেল ও ১টি স্টুডিও পুড়ে গেছে।’

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশনস) লে. কর্নেল জিল্লুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের ১১টি ইউনিট কাজ করে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বেলা ১টা ১২ মিনিটে আগুন নেভানো হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যমুনা টিভির কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, শীতাতপনিয়ন্ত্রণযন্ত্র বা এসি থেকে তারা ধোঁয়া বের হতে দেখেছে। তবে তদন্ত ছাড়া আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন