বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুদক সূত্রে জানা গেছে, এ মামলার তদন্তে কমিশন নিশ্চিত হয় যে মো. সাহেদ নির্ধারিত সময়ে সম্পদের বিবরণী দাখিল না করে বৈধ আয়ের উৎস–বহির্ভূত ১ কোটি ৬৯ লাখ ১৭ হাজার ৫১৩ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে নিজের দখলে রেখেছেন।

এর আগে ২০২০ সালের ৫ নভেম্বর এক নোটিশে দুদক সাহেদকে ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদের হিসাব জমা দিতে বলে। কিন্তু তিনি নির্ধারিত সময়ে সম্পদের বিবরণী জমা দেননি। পরবর্তী সময়ে তাঁকে আরও ১৫ কার্যদিবস সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরও বিবরণী জমা না দেওয়ায় অনুসন্ধানের পর মো. সাহেদের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি মামলা করে দুদক।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন