default-image

অস্ত্র ও মাদক মামলায় গ্রেপ্তার বহিষ্কৃত কাউন্সিলর ইরফান সেলিম ও তাঁর দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। পাঁচ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁদের আজ শনিবার আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ইরফান সেলিমের আইনজীবী প্রাণনাথ প্রথম আলোকে বলেন, দুই মামলায় পাঁচ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার ইরফান ও তাঁর দেহরক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামিরা জামিন আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

এর আগে অস্ত্র ও মাদক মামলায় ৮ নভেম্বর ইরফান ও তাঁর দেহরক্ষীর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহম্মেদ খানকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় ইরফানকে দুই দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। এ মামলায় ইরফানের দেহরক্ষী জাহিদ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। একই মামলায় কারাগারে আছেন ইরফানের সহযোগী এ বি সিদ্দিক ওরফে দীপু এবং ইরফানের গাড়িচালক মিজানুর রহমান।

গত ২৬ অক্টোবর রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় ইরফান সেলিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মারধর ও হত্যাচেষ্টার মামলা করেন নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খান।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের জেরে ২৬ অক্টোবর পুরান ঢাকার বড় কাটরায় ইরফানের বাবা সরকারদলীয় সাংসদ হাজি সেলিমের বাড়িতে অভিযান চালায় র‍্যাব। এ সময় র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদক রাখার দায়ে ইরফানকে এক বছর কারাদণ্ড ও অবৈধ ওয়াকিটকি রাখার কারণে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। ইরফানের দেহরক্ষী জাহিদুলকে ওয়াকিটকি বহন করার দায়ে ছয় মাস সাজা দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ ছাড়া বাসা থেকে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় ইরফান ও জাহিদুলের বিরুদ্ধে চারটি মামলা করে র‍্যাব। রাজধানীর চকবাজার থানায় মামলাগুলো হয়। ইরফানকে নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ এবং অসদাচরণের অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0