ডিএমপি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ৫ মে সন্ধ্যা সাতটার দিকে আনন্দ পরিবহনের একটি বাসে (ঢাকা মেট্রো ব ১১-৪০৩০) যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। জুরাইন রেললাইনের ওপর ওঠার পরপরই বাসটি বন্ধ হয়ে যায়। চালক কিছুতেই বাসটি চালু করতে পারছিলেন না। এ সময় নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি কমিউটার ট্রেন ঢাকার দিকে আসছিল।

এ সময় আশপাশের লোকজনের চিৎকারে তিন–চারজন যাত্রী জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে প্রাণ বাঁচান। আতঙ্কিত হয়ে বাসচালক নিজেও জানালা দিয়ে লাফ দেন।

অনন্যোপায় হয়ে ট্রাফিক ওয়ারী জোনের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর বিপ্লব ভৌমিক, এটিএসআই উত্তম কুমার দাস, ট্রাফিক পুলিশ সদস্য রমজান আলীসহ পথচারী ও অন্যান্য গাড়ির চালকদের সঙ্গে নিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ধাক্কা দিয়ে রেললাইন পার করে দেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই কমলাপুরগামী কমিউটার ট্রেনটি জুরাইন রেলক্রসিং অতিক্রম করে। রক্ষা পায় বাসে থাকা ৪০ যাত্রীর প্রাণ।

ট্রাফিক পুলিশের তিন সদস্যকে পুরস্কার দেওয়ার অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান, ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. সাইদুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপকমিশনার গোবিন্দ চন্দ্র পাল ও সহকারী পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার রায় উপস্থিত ছিলেন।

বছর পাঁচেক আগে ঢাকা থেকে চাঁদপুরের মতলবগামী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডোবায় পড়ে গেলে যাত্রীদের বাঁচাতে এগিয়ে এসেছিলেন দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা-পুলিশের কনস্টেবল মো. পারভেজ মিয়া। ওই বাসেও যাত্রী ছিলেন ৪০ জন। বাসের ৪০ জন যাত্রীর মধ্যে ২৬ জনকে পারভেজ একাই উদ্ধার করেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন