বিজ্ঞাপন

বিজেসির নেতারা বলেন, কাল বৃহস্পতিবার রোজিনার জামিন না হলে তীব্র আন্দোলন শুরু হবে। তাঁরা বলেন, সরকারি প্রজাতন্ত্রের কর্মীদের জন্য যে আইন প্রযোজ্য, তা প্রথমবারের মতো কোনো সাংবাদিকের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে।

বিজেসির চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক কর্মসূচিতে সংগঠনের চার দফা দাবি তুলে ধরেন। তিনি সরকারের পক্ষ থেকে যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, তা কতটুকু কার্যকর হবে, এটা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কেননা গণমাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে, তাতেও রোজিনা ইসলামকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রেজোয়ানুল হক স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের সুপারিশ করেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার গোলাম রহমান।

রোজিনা ইসলামের ঘটনায় আইনের অপপ্রয়োগ হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিজেসির সদস্যসচিব শাকিল আহমেদ বলেন, সাংবাদিকেরা গণমাধ্যমের বিভিন্ন সংকটে এক সুরে কথা বলছেন না বলেই রোজিনারা বারবার গ্রেপ্তার হচ্ছেন।

সাংবাদিকেরা বিভিন্ন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। সাংবাদিকদের পরস্পরের হাত ধরে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার অঙ্গীকার করতে হবে। বছরের পর বছর ধরে যেসব অন্যায় চেপে বসে আছে, তা দূর করতে হবে।

শাকিল আহমেদ বলেন, বৃহস্পতিবার রোজিনা ইসলাম যদি জামিনে মুক্ত না হন, তাহলে আন্দোলন নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। রোজিনা ইসলাম মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সাংবাদিকেরা যাতে ঘরে ফিরে না যান, সে আহ্বানও জানান তিনি।

অবস্থান কর্মসূচিতে সাংবাদিক নেতা সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, মাসুদা ভাট্টি, শারমীন রিনভী, সাজ্জাদ আলম খান প্রমুখ সংহতি প্রকাশ করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।

প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে গত সোমবার সচিবালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটকে রেখে হেনস্তা করা হয়। পরে রাতে তাঁকে রাজধানীর শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়। মধ্য রাতে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকালে রোজিনা ইসলামকে আদালতে নেওয়া হয়। আদালত তাঁর বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আজ বুধবার রোজিনার বিরুদ্ধে মামলাটি পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন