আজ মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৩–এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, র‍্যাবের অভিযানে মুগদা এলাকার মলম পার্টির মূলহোতা মো. লাল মিয়াসহ ৫ জন, ডেমরা এলাকার অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা মো. সোহেলসহ ৪ জন, ডেমরা এলাকার কিশোর গ্যাং চক্রের মূলহোতা মো. হিমন হকসহ ২ জন, হাতিরঝিল এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মো. খালিদ হাসানসহ ৩ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা ইউনুছ নূর নবীসহ ৬ জন, যাত্রাবাড়ী এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মো. শামসুল হকসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ছাড়া ওয়ারী এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মো. সাগরসহ ৯ জন, খিলগাঁও এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মো. খোকনসহ ৩ জন, সবুজবাগ এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মো. দ্বীন ইসলামসহ ২ জন, পল্টন এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মো. রাসেলসহ ৯ জন, মতিঝিল এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা অমৃত চন্দ্র বর্মণসহ ৫ জন, শাহবাগ এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মো. দেলোয়ার হোসেনসহ ২ জন, শাহজাহানপুর এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মো. রাব্বিসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

সংবাদ সম্মেলনে আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, রমজান ও ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কিছু সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি ও কিশোর গ্যাং চক্রের তৎপরতা বেড়েছে। ঈদের কেনাকাটা উপলক্ষে রাজধানীমুখী মানুষের বড় বড় শপিংমল ও বাজারকেন্দ্রিক চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ার সুযোগে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র নিরীহ পথচারীদের সর্বস্ব ছিনতাই করছে।

এমন পরিস্থিতিতে অভিযান চালিয়ে ৮২ জনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছে থেকে ৬৮টি মুঠোফোন, ৩৫ পিস পেথিডিন ইনজেকশন, ২০টি সুইচ গিয়ার চাকু, ৭টি চাকু, ১২টি ক্ষুরসহ নগদ ৩৮ হাজারের বেশি টাকা উদ্ধার করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে বলে সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব জানিয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন