বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজকের অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, গত বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, র‍্যাব ও পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ও কমিউনিটি পুলিশ ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস কমেছে। এটিই আসল চিত্র এবং যুক্তরাষ্ট্রের এই মূল্যায়ন সঠিক। সেই প্রতিবেদনে তারা র‍্যাবের ভূমিকার প্রশংসা করেছে এবং বলেছে যে ২০২০ সালে মাত্র তিনটি সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদী ঘটনা ঘটেছে এবং সেখানে কোনো মৃত্যু ঘটেনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনে আমরা যা করতে সক্ষম হয়েছি, পৃথিবীর বহু উন্নত দেশ তা করতে পারেনি এবং এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের টেকনিক্যাল সহযোগিতা রয়েছে। আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশ যুক্তরাষ্ট্রের এ মূল্যায়ন যথার্থ।’

এর আগে ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে র‍্যাবের সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে পৃথকভাবে এ নিষেধাজ্ঞা দেয় দেশটির ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট (রাজস্ব বিভাগ) ও পররাষ্ট্র দপ্তর।

‘স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি দেশে–বিদেশে সক্রিয় রয়েছে’

এদিকে আজ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব বর্ষ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের বিজয় শোভাযাত্রার প্রাক্কালে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘১৯৭১-৭২ সালে যাঁরা সংশয়ে ছিলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকতে পারবে কি না, উন্নত-সমৃদ্ধ হতে পারবে কি না, তাঁরা আজ অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখেন, বাংলাদেশ আজ খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশ, বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে।’

‘যাঁরা এ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব চায়নি, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও সেই অপশক্তি দেশে-বিদেশে সক্রিয় রয়েছে’ উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা জাতির পিতার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সব ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে, সব অপশক্তিকে পদদলিত করে, সব প্রতিবন্ধকতাকে উপড়ে ফেলে জাতির পিতার স্বপ্নের ঠিকানায় দেশকে পৌঁছে দেব। স্বাধীনতাবিরোধী সব অপশক্তি নিপাত যাক—এই হোক আজকের প্রত্যয়।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন