default-image

দফায় দফায় বাড়ানো লকডাউনের ভেতর আজ সোমবার ঢাকায় ফিরেছে চিরচেনা যানজট। যানজটের মাত্রা গতকাল রোববার থেকেই বাড়ছিল। ব্যক্তিগত গাড়ির (প্রাইভেট কার) সংখ্যাই তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা গেছে। রয়েছে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, পণ্যবাহী পিকআপ ভ্যানের আধিক্য।
রাজধানীর কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর, হাতিরঝিলের পুলিশ প্লাজার সামনের মোড়, তেজগাঁও, বাড্ডা ঘুরে দেখা গেছে, সিগন্যালগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি।

পুলিশ বলছে, নানা অজুহাতে এখন মানুষ বের হওয়া শুরু করেছে। এর মধ্যে ওষুধ কেনার অজুহাতই বেশি।

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন মনসুর আলী। বাংলামোটরের সিগন্যালে দুপুরে প্রায় চার মিনিট দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘মোটরসাইকেলে অফিসে যেতে হয় প্রতিদিন। তেল দরকার। সামনের ফিলিং স্টেশনে যাচ্ছি তেল নিতে।’

বিজ্ঞাপন

শাহবাগে যাওয়ার পথে কারওয়ান বাজারের সিগন্যালেও দেখা গেছে গাড়ির দীর্ঘ সারি। মোজাম্মেল হক নামের একজন মোটরসাইকেল চালক দাঁড়িয়েছিলেন সেখানকার যানযটে। তিনি বলেন, ‘অনেক দিন তো হলো লকডাউনের। আর চলছে না। পেটের চিন্তা বড় চিন্তা।’ কয়েক দিন ধরেই ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

ট্রাফিক পুলিশের একজন সার্জেন্ট সকাল থেকেই গাড়ি নিয়ন্ত্রণে ঢাকার কয়েকটি মোড়ে ঘুরেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজ দুপুরে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, চাপ সামাল দিতে আজ মোড়ে মোড়ে সিগন্যালে গাড়িগুলো থামাতে হচ্ছে। মে দিবসে চাপ একটু কম ছিল। এরপর থেকেই বেশি। অফিস টাইমে (সময়ে) সকালে দু–এক ঘণ্টা সময় গাড়ির চাপ অনেক বেশি ছিল।

এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, চেকপোস্টে থামালে লোকজন চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার ‘অজুহাত’ দিচ্ছেন। পুরোনো ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) দেখাচ্ছেন। কেউ ওষুধ কিনতে বেরিয়েছেন।

তা ছাড়া ঈদে কেনাকাটা করার জন্যও বের হচ্ছেন অনেকে। এ ক্ষেত্রে শিশুদের জন্য কেনাকাটার কথা বলে মানুষজন বের হচ্ছেন বলে জানান এই ট্রাফিক কর্মকর্তা।

বিজ্ঞাপন
রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন