default-image

লাইসেন্স করা অস্ত্র কোথায় কার কাছে আছে, জানতে চায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মঙ্গলবার এ বিষয়ে সিআইডি মিলনায়তনে বাংলাদেশ আর্মস অ্যামিউনিশন ডিলার্স অ্যান্ড ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কর্মকর্তারা।

সিআইডি প্রধান মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, অ্যাসোসিয়েশনকে বলা হয়েছে গত ১০ বছরে তারা কার কাছে কোন অস্ত্র বিক্রি করেছে, সে তথ্য সিআইডিকে সরবরাহ করতে। অস্ত্রের একটি তথ্যভান্ডার করতে চায় সিআইডি। এতে করে কোনো অপরাধে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র ব্যবহার হলে সহজেই অস্ত্রদাতাকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে। সিআইডির অটোমেটেড ব্যালিস্টিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম নামে একটি সফটওয়্যার আছে। তথ্যভান্ডার তৈরিতে এই সফটওয়্যার ব্যবহার হবে। আগে কোনো অভিযান থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গুলির খোসা এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে শনাক্ত করা হতো। এখন দেশে থাকা সব লাইসেন্স করা অস্ত্রের তথ্য হালনাগাদ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

বছর দশেক আগে বিক্রি হয়ে যাওয়া অস্ত্রের তথ্য সিআইডি কীভাবে সংগ্রহ করবে, জানতে চাইলে মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রতিটি অস্ত্রেরই স্বতন্ত্র কোড আছে। এটা অনেকটা মোবাইল ফোনের আইএমইআই–এর মতো। ওই কোড অস্ত্র বিক্রেতারা সিআইডিকে দেবেন। তাহলেই বোঝা যাবে অস্ত্রের ধরন কী। যদি একান্তই কেউ দিতে না পারেন, তাহলে তাঁরা গুলির খোসা জমা দেবেন। তিনি আরও বলেন, নতুন করে কোনো অস্ত্র কিনলেও এখন থেকে সঙ্গে সঙ্গে সিআইডিকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের।

বৈঠকে বাংলাদেশ আর্মস অ্যামিউনিশন ডিলার্স অ্যান্ড ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের ২৭ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নাসির আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, এমনিতেই অস্ত্র বিক্রির তথ্য নিয়মিত জেলা প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে দেওয়া হয়ে থাকে। এখন সিআইডিকে তথ্য দিতে বলা হয়েছে। অ্যাসোসিয়েশন সিআইডিকে তথ্য দেবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন