সূত্র জানিয়েছে, বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ অতিক্রমের সময় নুরুন্নাহারকে শনাক্ত করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তিনি পায়ুপথে সোনা বহন করছেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাঁর শরীরে এক্স-রে করানো হয়। এতে চারটি সোনার বারের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। সেগুলো প্রাকৃতিক উপায়ে বের করে আনা হয়েছে। এ ছাড়া নুরুন্নাহারের কাছে আরও চারটি সোনার বার পাওয়া যায়।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আবদুল মান্নান বলেন, নুরুন্নাহারের কাছ থেকে পাওয়া আটটি সোনার বারের ওজন ৯৩২ গ্রাম। এর বাজারদর প্রায় ৬৫ লাখ ২৪ হাজার টাকা। তাঁকে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন