এর আগে গত বুধবার মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে সজীব ও মেহেদী হাসান ওরফে বাপ্পি নামের দুই দোকানকর্মীকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। এই দুই কর্মচারীর বিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় বলে র‍্যাব জানিয়েছে।

ডিবির রমনা বিভাগের ধানমন্ডি অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ফজলে এলাহী আজ মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে নিউমার্কেট থানায় হস্তান্তর করা হবে। সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখাবে থানা-পুলিশ।

গত ১৮ এপ্রিল রাতে নিউমার্কেটের দোকান মালিক-কর্মচারীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের প্রথম দফায় সংঘর্ষ বাধে। পরদিন ১৯ এপ্রিলও দিনভর এ সংঘর্ষ চলে। এ ঘটনায় দুজন নিহত হন। তাঁদের একজন কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মী নাহিদ হোসেন। অপরজন নিউ সুপারমার্কেটের দোকানকর্মী মোহাম্মদ মোরসালিন। সংঘর্ষে আহত হন অর্ধশতাধিক।

সংঘর্ষের ঘটনায় পাঁচটি মামলা হয়েছে। এতে আসামির সংখ্যা ১ হাজার ৭২৪ জন। এর মধ্যে হত্যা মামলা দুটি। এ দুটি মামলার তদন্ত করছে ডিবি। অন্য তিনটি মামলা তদন্ত করছে নিউমার্কেট থানা-পুলিশ।

নাহিদকে হত্যার ঘটনায় ইতিমধ্যে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাঁরা হলেন মো. আবদুল কাইয়ুম, পলাশ মিয়া, মাহমুদ ইরফান, মো. ফয়সাল ইসলাম, মো. জুনাইদ বোগদাদী ও মাহমুদুল হাসান সিয়াম।

ডিবি জানায়, এই ছয়জনই ঢাকা কলেজের ছাত্র। সংঘর্ষের সময় তাঁরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে সামনের সারিতে ছিলেন। তাঁরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলেও ঢাকা কলেজের একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন