বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ন্যায়বিচার মানুষের প্রাপ্য। সেটা যেন সব সময় পায়, সেটা আমরা চাই। কারণ, আমরা ভুক্তভোগী। তাই আমরা জানি, বিচার না পাওয়ার কষ্টটা কী।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যারা ১৫ আগস্টে সব হারিয়েছিলাম, আমার মতো বাবা–মা হারিয়ে যেন কাউকে বিচারের জন্য চোখের পানি ফেলতে না হয়। সেটাই আমরা চাই। সেটা আপনারা নিশ্চিত করে দেবেন। আর আমি যতক্ষণ সরকারে আছি, এর জন্য যা যা দরকার, আমরা করব।’

শোষিত–বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে জাতির জনকের আজীবন সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের বিয়োগান্ত অধ্যায় তুলে ধরে দীর্ঘদিন বিচার না পাওয়ার জন্য আক্ষেপ প্রকাশ করেন জাতির জনকের কন্যা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসলে বহু বছর বিচার না পেয়ে মনে অনেক দুঃখ ছিল। যাহোক, এই হত্যার বিচার পেয়েছি। এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় কথা।’ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার রায় কার্যকর হওয়ায় বিচার বিভাগ, দল ও দেশবাসীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, তবে এখন আরেকটা দায়িত্ব রয়ে গেছে। চক্রান্তটা খুঁজে বের করা। এটা একদিন বের হবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই।

অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বক্তৃতা করেন। স্বাগত বক্তৃতা করেন আপিল বিভাগের বিচারপতি এবং স্মারকগ্রন্থ ও স্মরণিকার সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান।

এ সময় মুজিব স্মারকগ্রন্থ ও স্মরণিকার ওপর অনুষ্ঠানে তথ্যচিত্র প্রচারিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির পিতা, বঙ্গমাতাসহ ১৯৭৫–এর ১৫ আগস্টের সব শহীদ এবং বিজয়ের মাসে সব বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন