বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অলিক মৃ বলেন, পাহাড়ে–সমতলে যাঁরা প্রাণ–প্রকৃতি রক্ষা করে চলেছেন, তাঁরা এখন নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার। এখন পর্যন্ত কোনো ঘটনার বিচার হয়নি। ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষের নিরাপত্তা নেই। পার্বত্য অঞ্চলে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হচ্ছে। গণমাধ্যমেও সব খবর আসে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অলিক মৃ আরও বলেন, বর্তমান সরকার নিজেদের ক্ষুদ্র জাতিসত্তাবান্ধব বলে দাবি করে, কিন্তু তারা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করেনি। একের পর এক সংখ্যালঘুরা নির্যাতনের শিকার, কোনো বিচার হয়নি।

পাবর্ত্য শান্তিচুক্তির সঠিক বাস্তবায়ন, সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় এবং ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের দেওয়া নির্বাচনী ইশতেহারের বাস্তবায়নের দাবি জানায় এসব ছাত্র সংগঠন। এ ছাড়া দাবি মানা না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে বিক্ষোভ সমাবেশে বলা হয়।

আদিবাসী যুব ফোরামের সভাপতি অনন্ত ধামাই বলেন, যাঁরা নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন, তাঁরাই অশান্তি করছেন। পাহাড়িরা এবং ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষেরা কোনো অশান্তি চায় না।

সরকার পরিবর্তিত হয়, কিন্তু ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় না বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠনের ঢাকা মহানগরের সভাপতি ডন জেত্রা। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষের কদর বেড়ে গেলেও নির্বাচনের পর তাদের কথা কেউ ভাবেন না।

বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বুশ নকরেক বলেন, মানুষ খুন হচ্ছে, বসতবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, রাষ্ট কোথায়? রাষ্ট্র আদিবাসীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ।

বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ত্রিপুরা খ্রিষ্টান স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ঢাকা মহানগর শাখার গৌরব ত্রিপুরা, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের ঢাকা মহানগরের রেং ইয়ং ম্রো প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন