বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

পরিস্থিতি সামাল দিতে গতকাল রাতে বিপুল পুলিশের উপস্থিতি থাকলেও আজ দুপুর পর্যন্ত কাউকে নিউমার্কেট এলাকায় দেখা যায়নি। দুপুরের পর পুলিশের দুটি গাড়ি ওই এলাকায় আসতে দেখা গেছে।

সংঘর্ষের কারণে রাজধানীর ব্যস্ত সড়ক মিরপুর রোডে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ আছে।

সংঘর্ষের খবর সংগ্রহ করতে আসা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের অন্তত তিনজন সাংবাদিক ও ক্যামেরাপারসনকে পেটাতে দেখা গেছে দোকানকর্মীদের। তাঁদের মধ্যে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সময় টিভি ও এসএ টিভির দুই সাংবাদিক রয়েছেন।

সময় টিভির ওই সাংবাদিককে নিউমার্কেট থেকে নীলক্ষেত মোড়ে এনে পেটাতে শুরু করেন দোকানকর্মীরা। এসএ টিভির ওই ক্যামেরাপারসনের মাথা ফেটে গেছে।দোকানকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করায় তাঁকে ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে তাড়িয়ে দেন দোকানকর্মীরা।

default-image

হামলার শিকার অন্যজন একজন ফটোসাংবাদিক। তাঁকে নীলক্ষেত মোড় থেকে ধাওয়া দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের দিকে নিয়ে যান দোকানকর্মীরা।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার কারণ জানতে চাইলে নিউমার্কেটের এক ব্যবসায়ী প্রথম আলোকে বলেন, যে সাংবাদিকেরা সত্য কথা লেখেন না, তাঁদের চলে যেতে বলা হচ্ছে। কাউকে মারধর করা হচ্ছে না। বেলা একটায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছিল।

আজ সকাল থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে দুই পক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঢাকা কলেজের ছাত্রদের একটি অংশ কলেজের ছাদে, আরেকটি অংশ চন্দ্রিমা মার্কেটের সামনে অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে নিউমার্কেট ছাড়াও আশপাশের অন্যান্য মার্কেটের ব্যবসায়ীরা নিউমার্কেট, রাফিন প্লাজা, বলাকা সিনেমা হল ও গাউছিয়া মার্কেটের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

default-image

ছাদে থাকা ঢাকা কলেজের ছাত্ররা ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও ককটেল ছুড়ছেন। ব্যবসায়ীরাও নূরজাহান মার্কেটের ছাদ থেকে ইটপাটকেল ছুড়ছেন। চন্দ্রিমা মার্কেটের সামনে থাকা ঢাকা কলেজের ছাত্ররা কিছুক্ষণ পরপরই ব্যবসায়ীদের ধাওয়া দিচ্ছেন। ব্যবসায়ীরাও পাল্টা ধাওয়া দিচ্ছেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন