ডুজার বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নিউমার্কেট এলাকায় সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকজন সাংবাদিক হামলা ও লাঞ্ছনার শিকার হন। সেখানে বিবদমান দুই পক্ষের সমর্থকেরা যেভাবে সাংবাদিকদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছেন, তা কোনো সভ্য সমাজে কাম্য হতে পারে না। এ ঘটনার মাধ্যমে সংবিধানস্বীকৃত গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে পদদলিত করা হয়েছে। এ ঘটনা একই সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক নির্মম দৃষ্টান্ত। আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করলাম, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো মাথাব্যথা নেই৷ গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো ধরনের তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। এটি অনুমেয় যে নির্যাতিত-লাঞ্ছিত সাংবাদিকেরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের সমর্থন না পেলে আইনি জটিলতায় নিজেদের জড়াতে চাইবেন না৷’

এর আগেও দেশে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন ডুজার নেতারা। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি মনে করে, অতীতে সাংবাদিক নির্যাতনের বিভিন্ন ঘটনায় কোনো বিচার বা প্রশাসনিক পদক্ষেপের উদাহরণ না থাকায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা প্রতিনিয়তই ঘটে চলেছে। নিউমার্কেট এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনার সময় সাংবাদিকদের নির্যাতন-লাঞ্ছনার ঘটনাসহ অতীতে ঘটে যাওয়া এ ধরনের ঘটনায় ব্যবস্থা নিয়ে রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সাংবিধানিক অঙ্গীকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি৷

গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে, আপনারা প্রয়োজনীয় সব ধরনের সমর্থন নিয়ে নির্যাতিত-লাঞ্ছিত সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়াবেন। রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতি আমাদের উদাত্ত আহ্বান, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সাংবিধানিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সাংবাদিক নির্যাতন ও লাঞ্ছনার ঘটনার প্রতিকারে প্রয়োজনে পৃথক আদালত গঠন করা হোক৷ গণমাধ্যমের অসামান্য ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে সাংবাদিক নির্যাতন ও লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরিতে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোগ নেওয়া হোক৷’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন