বিজ্ঞাপন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক নূরে আলম ও সাধারণ সম্পাদক শামীমা বেগম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম তাঁর মুঠোফোনের মাধ্যমে গোপনে সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের একান্ত সচিবের কক্ষে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নথির ছবি তুলছিলেন। কিন্তু রাষ্ট্রীয় স্পর্শকাতর নথি সচিবের একান্ত সচিবের কক্ষে ফেলে রাখা দায়িত্ব ও কর্তব্যে অবহেলার শামিল। কারণ, সেখানে সাধারণত অপেক্ষমাণ দর্শনার্থীরা অবস্থান করেন। বিবৃতিতে প্রশ্ন তোলা হয়, ‘রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর গোপনীয় নথি তাঁরা কীভাবে অনিরাপদে রাখলেন?’

শিক্ষকনেতারা বলেন, স্পষ্টত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা হয় দায়িত্বে অবহেলা করেছেন, অথবা তাঁদের উত্থাপিত অভিযোগ বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে জনমনে ধারণার সৃষ্টি হয়েছে। তা ছাড়া একজন সাংবাদিক কোনো অন্যায় করলে তাঁকে তৎক্ষণাৎ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ না করে প্রায় ছয় ঘণ্টা মন্ত্রণালয়ের একটি কক্ষে আটকে রেখে নির্যাতন করা মানবাধিকারের লঙ্ঘন।

রোজিনা ইসলামকে হেনস্তার ঘটনার অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা এবং একই সঙ্গে রোজিনা ইসলামকে আইনগত সুরক্ষা দেওয়ার দাবি জানায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন