গত ২৪ মার্চ রাত সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর শাহজাহানপুরের আমতলা মসজিদ এলাকায় যানজটে থেমে থাকা যানবাহনের একটিকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ওরফে টিপুকে হত্যা করা হয়। এই গুলি লাগে সড়কে যানজটে আটকা পড়ে রিকশায় বসে থাকা সামিয়ার গায়েও। গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনিও। এ ঘটনায় টিপুর স্ত্রী ফারহানা ইসলাম ডলি বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

এ ঘটনায় ৩০ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়াকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর শাহজাহানপুরের শান্তিবাগে সামিয়াদের বাসায় যান তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তাঁরা পরিবারটির প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তাঁরা সামিয়ার বাবা জামাল উদ্দিন, মা হোসনে আরা ও এসএসসি পরীক্ষার্থী ছোট ভাই সোহায়েব সামির সঙ্গে কথা বলেন।

আজ সামিয়ার পরিবারের পাশাপাশি সাংবাদিক সোহেল সানিকেও ৩০ লাখ টাকার পারিবারিক সঞ্চয়পত্র দেওয়া হয়।

এ সময় বিপ্লব বড়ুয়া জানান, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ২০১৯ থেকে চলতি বছর পর্যন্ত ১ হাজার ১২১ কোটি টাকা ৩৫ হাজার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা হিসেবে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৯ সালে দেওয়া হয়েছে ১৪০ কোটি টাকা, ২০২০ সালে ৫৮০ কোটি, ২০২১ সালে ৩২৪ কোটি এবং ২০২২ সালের এ পর্যন্ত ৭৫ কোটি টাকা সহায়তা করা হয়েছে।

এ সময় আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন