প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গোপসাগর ঘিরে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠেছে। এর আর্থসামাজিক ও কূটনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। দেশের সমুদ্রসম্পদের সমন্বয় সাধনে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া বা সমুদ্রসম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি মন্ত্রণালয় স্থাপন করা প্রয়োজন। দেশের প্রথিতযশা বিজ্ঞানী, সমুদ্রগবেষকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে এ মন্ত্রণালয় গঠিত হতে পারে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

শামসুল আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে সমুদ্র বিজয়ের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের আয়তনের প্রায় সমান ভূখণ্ড পেয়েছি। দেশের সমুদ্রসীমায় কী পরিমাণ প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদ রয়েছে, সেটি সুনির্দিষ্ট করা এবং এ কাজে গবেষণা পরিচালনা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি সমুদ্র সংরক্ষণ ও একে দূষণমুক্ত করতে বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাঙ্কিং বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৫০০–এর মধ্যে না থাকা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন ইউজিসি চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) দিল আফরোজা বেগম, ইউজিসি সদস্য মো. সাজ্জাদ হোসেন, বিশ্বজিৎ চন্দ, ইউজিসির সচিব ফেরদৌস জামান, পরিচালক মো. কামাল হোসেন প্রমুখ। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউজিসি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ফেলো এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বিশিষ্ট গবেষক মো. আফজাল হোসেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন