বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এএফসিপির ২০ বছর পূর্তি এবং বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে নেওয়া এই প্রকল্পের মাধ্যমে এস এম সুলতানের শিল্পকর্ম নিয়ে গবেষণা, বিশ্লেষণের পাশাপাশি তাঁর চিত্রকর্মগুলো পুনরুদ্ধার করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে সামষ্টিক বোঝাপড়া বৃদ্ধিতে সহায়তা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই শিল্প ও ইতিহাস সংরক্ষণে কাজ করা হবে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পের ঘোষণা দেওয়ার জন্য বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরীর হাতে ঘোষণাফলক তুলে দেন। পরে রাষ্ট্রদূত বেঙ্গল গ্যালারিতে থাকা এস এম সুলতানের কয়েকটি বিখ্যাত শিল্পকর্ম ঘুরে দেখেন।

এএফসিপি বিদেশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক উদ্যোগগুলোর অন্যতম। গত ২০ বছরে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারমূলক ১২টি এএফসিপি প্রকল্পে ৮ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলারের বেশি আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে লালবাগ দুর্গে অবস্থিত ১৭ শতকে নির্মিত মোগল হাম্মামখানা সংস্কার ও পুনরুদ্ধার; বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের সংগ্রহ সমৃদ্ধকরণ ও জনসাধারণের জন্য উন্মুক্তকরণ এবং বাউল গান ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, জামদানি বুননপদ্ধতি এবং ২ হাজার বছরের পুরোনো ধাতব ঢালাই কৌশলের ওপর তথ্যচিত্র তৈরি ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ।

এএফসিপি ২০২২ সালের জন্য সাংস্কৃতিক সংরক্ষণ প্রকল্প প্রস্তাবনা আহ্বান করেছে। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত। প্রকল্প প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ১ ডিসেম্বর। আবেদন করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ওয়েবসাইটে: https://bd.usembassy.gov/embassy/dhaka/grants-and-procurement-opportunities/।

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ২০০১ সালে বিস্তৃত পরিসরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে অ্যাম্বাসেরডস ফান্ড ফর কালচারাল প্রিজারভেশন (এএফসিপি) নামের একটি তহবিল গঠন করে, যার মধ্যে ঐতিহাসিক ইমারত, প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, নৃতাত্ত্বিক বস্তু, চিত্রকর্ম, পাণ্ডুলিপি, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষা এবং অন্যান্য ধরনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে। এএফসিপি নামে পরিচিত এই তহবিল দুর্যোগ-পরবর্তী এবং সংঘাত-উত্তর পুনরুদ্ধার কার্যক্রম, অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া তৈরি–সংক্রান্ত প্রকল্পগুলোতেও সহায়তা করে।

এএফসিপি প্রকল্পগুলোতে সাধারণত স্থানীয় বিশেষজ্ঞ অংশীদারদের সম্পৃক্ত এবং ঐতিহ্যবাহী উপকরণ ও পদ্ধতি ব্যবহার উৎসাহিত করা হয়। এএফসিপি কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বকে তুলে ধরে। ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের ১৩০টি দেশে ১ হাজারের বেশি এএফসিপি সংরক্ষণ প্রকল্পে সহায়তা করেছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন