বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্র জানায়, সাদিয়া তার মা–বাবার সঙ্গে নগরের আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টারে থাকত। সে আজিমপুর গার্লস স্কুলে দশম শ্রেণিতে পড়ত। গতকাল সোমবার রাত ১১টার দিকে সাদিয়া সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না লাগিয়ে ফাঁস দেয়। গোঙানির শব্দে স্বজনেরা ছুটে গিয়ে সাদিয়াকে সিলিং ফ্যান থেকে নামিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সাদিয়ার বাবা জয়নাল আবেদীনের ভাষ্য, সাদিয়া বাসায় চুপচাপ থাকত। কী কারণে সে গলায় ফাঁস লাগিয়েছে, তা তিনি জানেন না।

অন্যদিকে গৃহবধূ মরিয়ম বেগম (৪০) সপরিবার খিলগাঁওয়ের ত্রিমোহনী এলাকায় থাকতেন। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে মরিয়মকে ওই বাসা থেকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোনিয়া পারভীন বলেন, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে কীটনাশক পান করে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। রুটি বানানো নিয়ে শাশুড়ির সঙ্গেও তাঁর ঝগড়া হয়। মরিয়মের স্বামীর নাম জালালউদ্দিন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন