বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শিশুটির বাবা নাজির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সকালে লালবাগের শহিদ নগর থেকে ছেলেকে নিয়ে আজিমপুরের দিবাকালীন শিশুযত্ন কেন্দ্র স্কুলে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছেলের গায়ে দেয়াল ধসে পড়ে। ছেলের মৃত্যুর জন্য নাজির হোসেন বারবার নিজেকে দায়ী করছিলেন। কেন ছেলেকে রক্ষা করতে পারলেন না এই প্রশ্ন তাঁকে কুরে কুরে খাচ্ছিল।

জিহাদের মৃতদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। জিহাদের পরিবার নবাবগঞ্জের স্থায়ী বাসিন্দা। তার বাবা পান সুপারি বিক্রি করেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন