বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তানিয়ার ছোট বোন রানী আক্তারের ভাষ্য, ‘শনিবার সন্ধ্যায় দুলাভাই আমাকে ফোন দিয়ে বলেন, তোর বোনকে মেরে খাটের নিচে ফেলে রেখেছি।’
তানিয়ার বাবা টেলু দেওয়ান বলেন, ‘সাত মাস আগে নয়নের সঙ্গে তানিয়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই মেয়েকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করত সে।

বিভিন্ন ধরনের নেশায় আসক্ত ছিল নয়ন।’ নেশা করতে বাধা দেওয়ায় তাঁর মেয়েটিকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

টেলু দেওয়ান আরও বলেন, ‘দুই মাস আগে নয়নের সঙ্গে রাগ করে মেয়ে গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর চলে আসে। পরে গত বৃহস্পতিবার নয়ন এসে মেয়েকে সূত্রাপুরের বাসায় নিয়ে যায়। ঢাকায় যাওয়ার পর শুক্রবার নয়নকে ফোন দিয়েছিলাম খোঁজখবর নেওয়ার জন্য। তখন নয়ন বলে, “তোর মেয়েকে মেরে ফেলে রেখেছি, লাশ পাঠিয়ে দেব।” আমি মনে করেছি, সে পাগলামি করছে। কিন্তু শনিবার সন্ধ্যায় আমার ছোট মেয়েকে ফোন করে তানিয়াকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায় নয়ন।’

এ বিষয়ে সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, নিহত গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন। স্বামী নয়ন মিয়াসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নয়ন ঢাকায় একটি পোশাকের দোকানে বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করতেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন