বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক আশীষ কুমার কুন্ডু বাদী হয়ে কমিশনের ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এ মামলা করেন। মামলার অপর দুই আসামি হলেন নজরুল ইসলামের স্ত্রী সৈয়দা তামান্না শাহেরীন ও তাঁদের সহযোগী সৈয়দ হাসান শিবলী।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, নজরুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী পরস্পর যোগসাজশে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৬ কোটি ১৭ লাখ ৩১ হাজার ৭৬৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেন। তাঁদের এ অবৈধ আয়কে বৈধতা দেওয়ার উদ্দেশ্যে যশোর সদরের বেজপাড়া গ্রামের সৈয়দ হাসান শিবলী নিজের ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে মানি লন্ডারিংয়ে সহায়তা করেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৯৮৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এই দুর্নীতি করা হয়েছে। নজরুল ইসলাম ১৯৮৮ সালে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে যোগদান দেন। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে অবসরে যান তিনি।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন