বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শেওড়াপাড়া থেকে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর পর্যন্ত উভয় পাশের সড়ক কয়েক মাস ধরে খানাখন্দে ভরা ছিল। এতে এই পথে চলাচলকারী ব্যক্তিদের অসহনীয় ভোগান্তি পোহাতে হয়। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়ক ও পুরো এলাকায় পানি জমে যায়। দুই সপ্তাহ আগে মেয়র আতিকুল ইসলাম এসে এ এলাকায় দুরবস্থা দেখে যান। এর পরপরই মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ উভয় পাশের সড়ক সচল করার উদ্যোগ নেয়।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ মিরপুরের রোকেয়া সরণি এলাকায় আবারও পরিদর্শনে আসেন মেয়র আতিকুল। এই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এম সাইদুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খন্দকার মাহাবুব আলম প্রমুখ।

পরিদর্শন শেষে মেয়র আতিকুল সাংবাদিকদের বলেন, মেট্রোরেল কিংবা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে—যেটাই নির্মাণ করা হোক না কেন, ওপর দিয়ে যেমন কাজ চলছে, নিচ দিয়েও একই রকম সুন্দরভাবে কাজটি যেন চলে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ‘ওপর দিয়ে ফিটফাট আর নিচে সদরঘাট’, এটা হবে না।

মিরপুর এলাকায় জলাবদ্ধতার বিষয়ে মেয়র আতিক বলেন, ‘মিরপুরের এই এলাকায় জলাবদ্ধতা কমাতে ওয়াসার ড্রেনেজ লাইনের কাজ শুরু করেছি। কিন্তু অর্ধেক কাজ শেষ হওয়ার পরে তা থেমে গেছে। বাকি অর্ধেকের কাজ শেষ হয়নি। ওয়াসার কাজ থেকে সিটি করপোরেশন জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল ও নালার দায়িত্ব পাওয়ার পরে ওয়াসা কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। বাকি কাজ শেষ করতে নিজস্ব অর্থায়নে ৩৬ কোটি টাকার দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সিটি করপোরেশন।’

এ বিষয়ে মেয়র আতিকুল বলেন, এটা না করলে জনগণের ভোগান্তি বছরের পর বছর থাকবে। তাই সরকারে কাছে টাকা পাওয়ার অপেক্ষা না করে নিজস্ব অর্থায়নে বাকি কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ড্রেনগুলোকে ডাস্টবিন হিসেবে ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘আপনারা ফুটপাতে পলিব্যাগ ফেলবেন না। ড্রেনকে ডাস্টবিন হিসেবে ব্যবহার করবেন না। এই শহর বাঁচানোর দায়িত্ব সবার।’

ফুটপাত, সড়ক সচল রাখাসহ যেসব প্রতিশ্রুতি ছিল, তা ভঙ্গ করার বিষয়ে জানতে চাইলে মেট্রোরেলের প্রকল্প পরিচালক আফতাব উদ্দিন তালুকদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘অনেকগুলো সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে আমাদের কাজ করতে হয়। দেখা যায়, একটি সংস্থা একটা কাজ শেষ করার পরপরই আরেকটা সংস্থা এসে নতুন করে অন্য একটি কাজের কথা বলে। এতে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি হয়, নষ্ট হয়। ওই সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয় কাজ শেষে রাস্তা তারাই ঠিক করে দেবে। পরে আর রাস্তা ঠিক করে না সেসব সংস্থা। এখানে সমন্বয়হীনতা রয়েছে। এখন মেয়র সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছেন। এটা নিশ্চিত করা গেলে আর সমস্যা থাকবে না। পুরো উদ্যমে কাজ করা যাবে।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন