বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভায় শাজাহান খান বলেন, শুধু গাড়িচালকদের ওপরে আইন প্রয়োগ করে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব নয়। দুর্ঘটনা কমানোর জন্য জনসচেতনতা দরকার। রাস্তা দিয়ে পারাপারের সময় মুঠোফোনে কথা না বলা, যত্রতত্র পারাপার না হওয়া এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে। তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনার জন্য শুধু ড্রাইভাররা দায়ী নন। রাস্তার মাঝখান দিয়ে মোবাইলে কথা বলতে বলতে হেঁটে যাবেন, একটা গাড়ি হঠাৎ এসে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ড্রাইভারের দোষ—এই বিষয়গুলো আমাদের চিন্তা করতে হবে।’

শাজাহান খান বলেন, ঢাকা–সিলেট, ঢাকা-খুলনাসহ উত্তরবঙ্গের ঢাকাগামী ট্রাক ও লং রোডে যেসব ট্রাক চলাচল করে‌, সেসবের চালকদের দিনের পর দিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাঁদের বিশ্রাম নেওয়ার কোনো জায়গা নেই, খাওয়ার জায়গা নেই, থাকার জায়গা নেই।

শাজাহান খান আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যাধুনিক চারটি টার্মিনাল নির্মাণ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। সেসব টার্মিনালে ট্রাকের ড্রাইভারদের জন্য সব সুযোগ-সুবিধাও থাকবে। আমি মনে করি, অবশ্যই এর সুফল কয়েক বছর পর পাওয়া যাবে। আগে আমাদের দাবি ছিল হাইওয়ে রোডগুলো ফোর লেন ও সিক্স লেনের, এখন কিন্তু তা হচ্ছে।’

সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘ড্রাইভারদের জন্য যে সুযোগ-সুবিধা দরকার, সেগুলো না দিয়ে যদি বলি, বেপরোয়া গাড়ির জন্য দুর্ঘটনা হয়, এ জন্য ড্রাইভার দায়ী। আমি অস্বীকার করব না যে ড্রাইভাররা বেপরোয়া গাড়ি চালায় না। কিন্তু এ জন্য ড্রাইভারদের এককভাবে দায়ী করা যাবে না। ড্রাইভারদের ট্রেনিংসহ সকল সুযোগ-সুবিধা দিলেই অনেক দুর্ঘটনা কমে আসবে।’

শাজাহান খান বলেন, এমন যদি কেউ মনে করেন যে সড়ক দুর্ঘটনা একেবারে শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে, তা হবে না। পৃথিবীতে কোনো দেশ নেই, যেখানে সড়ক দুর্ঘটনা হয় না। যেসব দেশে সর্বনিম্ন দুর্ঘটনা ঘটে, সেখানে বছরে ২ থেকে ২ দশমিক ৫ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

সোনাগাজী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জেড এম কামরুল আনামের সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন সেভ দ্য রোডের প্রতিষ্ঠাতা মোমিন মেহেদী, মহাসচিব শান্তা ফারজানা প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন