default-image

হরিজন জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে বলে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেছেন, হরিজন জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার সংরক্ষণে সরকারকে বৈষম্য বিলোপ-সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করতে হবে।

আজ রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদ’ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদের সভাপতি কৃষ্ণলাল, মহাসচিব নির্মলচন্দ্র, সাংগঠনিক সম্পাদক পান্নালাল বাশফোর প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক জাতি বৈষম্য বিলোপ দিবসে অনগ্রসর ও পিছিয়ে পড়া হরিজন জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য পাঁচ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

দাবিগুলো হলো অবিলম্বে বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন, সব সিটি করপোরেশন-পৌরসভায় নিয়োগের ক্ষেত্রে হরিজনদের কোটা বাস্তবায়ন করে স্থায়ী নিয়োগ ও বেতন বৈষম্য দূর, পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগে হরিজনদের পরীক্ষা বাতিল বা শিথিল, হরিজনদের জন্য আবাসন নিশ্চিত করা এবং সব স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও মেধা বিকাশে হরিজন শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা করা।

বক্তারা বলেন, পাবলিক-প্রাইভেট যেকোনো ক্ষেত্রে অস্পৃশ্যতার চর্চা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা দিতে হবে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। তাহলে হরিজন জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বৈষম্য কেন করা হচ্ছে, সে প্রশ্ন তোলেন বক্তারা।

আয়োজকেরা জানান, দাবিগুলো আজ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পাঠানো হবে। এ ছাড়া পরে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শহীদুর রশীদ। তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে চললেই দেশ এগিয়ে যাবে।

পরে বাংলাদেশ হরিজন ছাত্র ঐক্য পরিষদের আয়োজনে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন