বিজ্ঞাপন

আজ শুক্রবার বিকেলে নীলক্ষেত এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের সামনে এই সমাবেশ হয়৷ ‘সাত কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে আয়োজিত এই সমাবেশে বেশ কিছু শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সংহতি জানান।
সমাবেশে অংশ নিয়ে চিকিৎসক ও ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ফর পিপলস হেলথের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জয়দীপ ভট্টাচার্য বলেন, ‘করোনার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে বলে যুক্তি দিয়ে হল-ক্যাম্পাস খুলে দেওয়া হচ্ছে না, এটা সরকারের দিক থেকে একমাত্র বক্তব্য। করোনাভাইরাস কবে যাবে, তা নিশ্চিতভাবে কেউ বলতে পারছে না। সহসাই আমরা এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পাচ্ছি না৷ তাই এই ঢেউয়ের মধ্যে সাঁতার কাটা আমাদের শিখতে হবে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো গতিশীল করার রূপরেখা লাগবে। এর একটি হচ্ছে শিক্ষা। কিন্তু শিক্ষা নিয়ে কোনো পরিকল্পনা বা রূপরেখা তৈরির কোনো লক্ষণ বাংলাদেশে নেই।’

ঢাকা কলেজের ছাত্র ও সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সদস্যসচিব ইসমাঈল সম্রাট বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকাসহ নানা কারণে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার ৭০ শতাংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। বাকি যে ৩০ শতাংশ আছে, সেটুকু বাঁচিয়ে রাখতে হলে অবিলম্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই৷ তিনি বলেন, ১৪ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাত কলেজ কর্তৃপক্ষের বৈঠক আছে৷ ওই বৈঠক থেকে শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত না এলে আমরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করব।

সমাবেশে অভিভাবক হিসেবে অংশ নিয়ে প্রকৌশলী এস এনামুল হক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাসহ নানা সমস্যার কারণে দেশের মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে৷ তরুণেরা ক্ষুব্ধ হলে তাঁদের ঠেকানো যাবে না৷ অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে।
সমাবেশে সংহতির বার্তা পাঠান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক নাসির উদ্দিন আহমদ, চলচ্চিত্র সমালোচক বিধান রিবেরু, চিকিৎসক মজিবুল হক ও স্বদেশি আন্দোলনের আহ্বায়ক শাখাওয়াৎ হোসেন ভূঁইয়া৷ লেখক মাহমুদুল হক আরিফ, অভিভাবক ইসহাক সরকার, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের উপদেষ্টা মোহাম্মদ উল্লাহ মধু, সরকারি তিতুমীর কলেজের ছাত্র আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন