বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাতিরপুল বাজারের মাছ বিক্রেতা আখতার হোসেন লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। টিকাদান শুরুর সময়ের আগেই লাইনে দাঁড়ানোর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এত দিন টিকা নেওয়ার কথা মাথায় আসেনি। এখন নিজের দোকানের সামনেই টিকাদান চলছে। সবাই বলছে সহজেই টিকা দেওয়া যাচ্ছে। এ জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। আগে দাঁড়ালে আগে টিকা ভাবেন—এ আশায় তিনি সকাল ছয়টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন বলে জানান।

default-image

টিকার লাইনে তরুণ, মধ্যবয়সী, বৃদ্ধসহ নানা বয়সী মানুষকে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। বেশির ভাগই নিম্ন আয়ের কর্মজীবী মানুষ। তাঁদের মধ্যে রয়েছে মুদি দোকানদার, সবজি বিক্রেতা, মাছ ব্যবসায়ী ও গৃহকর্মী।

৬০ বছরের রফিক মোল্লা লাইনে না দাঁড়িয়ে সড়ক বিভাজকের ওপর বসে ছিলেন। জানান, লাইনে তিনি নিজের জায়গাটি ঠিক করে এসেছেন। অন্যদের বলেছেন টিকাদান শুরু হলে ও লাইন সামনে এগোলে তাঁকে জানাতে। বয়সের কারণে তিনি বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে না পেরে বসে পড়েছেন।

সম্প্রসারিত কর্মসূচির প্রথম দিনে গত শনিবার দেশব্যাপী স্বতঃস্ফূর্তভাবে করোনার টিকা নিয়েছেন মানুষ। গ্রাম, ছোট শহর ও মহানগরের অনেক কেন্দ্রে মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য, বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রথম আলোর প্রতিনিধিদের সংগ্রহ করা তথ্য যোগ করলে দেখা যায়, ওই দিন সম্প্রসারিত ও নিয়মিত কর্মসূচি মিলিয়ে ৩০ লাখের বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববারও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় টিকার জন্য মানুষের ভিড় দেখা গেছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন