বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে ওষুধ কোম্পানির গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স ও রোগী বহনকারী গাড়ি চলাচল করতে দেওয়া হয়েছে।

বেলা দুইটায় মোহাম্মদপুর শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নাইমুল হাসান রাসেল মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডে আসেন। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবি দুদিনের মধ্যে মানার আশ্বাস দেন। এ আশ্বাসে শিক্ষার্থী অবরোধ তুলে নেন। এরপর যান চলাচল শুরু হয়।

অবরোধ শুরুর সময়ে মোহাম্মদপুর থেকে রামপুরায় চলাচলকারী স্বাধীন পরিবহন নামের একটি বাসের চালকের সহকারীর সঙ্গে মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের একদল শিক্ষার্থীর ভাড়া নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বাসচালকের সহকারীকে শিক্ষার্থীরা মারধর করেন। পরে পুলিশের কাছে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তোলেন চালকের ওই সহকারী। এরপর তিনি প্রজাপতি পরিবহন নামের একটি বাসে গিয়ে ওঠেন। তাঁকে বাস থেকে নামাতে না পেরে কিছু শিক্ষার্থী বাসটি ভাঙচুর করেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন