বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ মাইক মালিক ব্যবসায়ী সমিতি বলছে, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকেই অনুষ্ঠান কর্মসূচি বন্ধ আছে। এতে মাইক ব্যবসা স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে দোকান ও কর্মচারীর ভাড়া দেওয়ার পাশাপাশি পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন মাইক ব্যবসায়ীরা।

সংবাদ সম্মেলন থেকে বলা হয়, সারা দেশে এই সমিতির প্রায় ১ হাজার ২০০ সদস্য আছেন। আর মাইক ব্যবসায়ী আছেন প্রায় এক লাখ। এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কর্মচারী আছেন চার লাখ।

বাংলাদেশ মাইক মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাইন উদ্দিন বলেন, ‘সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষদের অনুদান দিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ মাইকশিল্প যে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে, তা দেখার কেউ নেই। আমরা আজও অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত। সরকারের তথা প্রধানমীন্ত্রর কাছে আবেদন করছি, যাতে করে সরকারি ঋণ ব্যবস্থার মাধ্যমে হোক বা ত্রাণ ব্যবস্থার মাধ্যমে হোক আমরা সাহায্য প্রার্থনা করছি।’

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস বলেন, ‘আমরা খুব বিপদগ্রস্ত। আমরা দোকানভাড়া দিতে পারছি না। এখন করোনার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় অল্প কিছু অনুষ্ঠান হচ্ছে। তবে আগের মতো আয়োজন আর নেই। আমাদের দাবি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মাইক ব্যবসায়ীদের সরকার যেন প্রণোদনা দেয়। এর জন্য ১০০ কোটি টাকার ঋণ চাই আমরা। যখন আমরা ব্যবসায়ীরা ঘুরে দাঁড়াতে পারব, তখন এ ঋণ শোধ করে দেওয়া হবে।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন