বিজ্ঞাপন

ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্ত্তী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক চিকিৎসক আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তীর মায়ের অসুস্থতায় এবং রোগমুক্তি কামনায় ২০১৪ সাল থেকে মায়েদের এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। পাঁচজন ‘গরবিনী মা’কে সম্মাননা দেওয়ার মাধ্যমে উদ্যোগটি শুরু হয়েছিল।

এবার আইন ও বিচার, আইনশৃঙ্খলা, প্রশাসন, চিকিৎসা, ক্রীড়া, সাংবাদিকতা, সংগীত, অভিনয় (নারী), অভিনয় (পুরুষ) এবং অদম্য মেধাবী—এ ১০ ক্যাটাগরিতে বিশেষ অবদান রাখা সন্তানের মায়েদের সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন-১) বিকাশ কুমার সাহার মা লতিকা সাহা, র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদের মা মনোয়ারা তৈয়ব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব (পুলিশ-১) ধনঞ্জয় কুমার দাসের মা কাজল রানী দাস, ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালের চিফ কার্ডিয়াক সার্জন ডা. লুৎফর রাহমানের মা বেগম লুৎফুন্নেসা, জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার আতাহার আলী খানের মা সেলিমা সালামত খান, সাংবাদিক রেজানুর রহমানের মা রহিমা নুর; সুরকার, সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক হাবিব ওয়াহিদের মা রোখসানা ওয়াহিদ; অভিনেত্রী ও প্রযোজক জয়া আহসানের মা রেহানা মাসউদ; চলচ্চিত্র অভিনেতা ও মডেল সিয়াম আহমেদের মা মাহমুদা বেগম এবং প্রথম আলো থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের শিক্ষার্থী অদম্য মেধাবী প্রিয়াঙ্কা গোয়ালার মা রিতা গোয়ালাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসক আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘বিভিন্ন সংগঠন বিশ্ব মা দিবসে মায়েদের সম্মাননা দিচ্ছে। অনেকের শর্ত থাকে সন্তানদের মধ্যে অন্তত তিনজনকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। তবে আমরা বলেছি, একজন সন্তানও যদি সমাজে অবদান রাখেন, ওই মা এ সম্মাননা পাবেন।’

সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হিরণ্ময় পাল শৌর্ঘ্য, কাজী রফিকুল ইসলাম, রিয়াদ নাসের চৌধুরী, এ কে এম সাহেদ হোসেন, মো. সাহেদ হোসেন প্রমুখ। এ আয়োজনের ইভেন্ট পার্টনার ছিল ফ্যাক্টর থ্রি সল্যুশন্স।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন