বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়, যা ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলে। এ সময়ে ৭০০টির বেশি সংগঠন দেশ গঠনে তাদের গ্রহণ করা বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়ে আবেদন করে। আবেদনগুলো যাচাই–বাছাই শেষে মূল পর্বের জন্য মনোনীত করা হয় তরুণদের ৩১ সংগঠনকে। বিশেষ বিচারক প্যানেল দীর্ঘদিন বিচার–বিশ্লেষণ শেষে সেখান থেকে ১৫ সংগঠনকে বেছে নেয়।

বিশেষ বিচারক প্যানেলের সদস্য ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাংসদ মাশরাফি বিন মুর্তজা, ইয়াং বাংলার আহ্বায়ক ও সাংসদ নাহিম রাজ্জাক, ডান অ্যান্ড ব্রেডস্ট্রিটের সিইও জারা মাহবুব, ডেইলি স্টারের সিনিয়র করেসপনডেন্ট পরিমল পালমা, তৃতীয় লিঙ্গের অধিকার নিয়ে আন্দোলনকারী ও টিভি উপস্থাপক তাসনুভা শিশির, জাতীয় পুরষ্কার বিজয়ী অভিনয়শিল্পী জয়া আহসান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও উন্নয়নবিষয়ক অর্থনীতিবিদ আতিউর রহমান, উইমেন ইন ডিজিটাল আচিয়া খালেদা নিলা, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাকালীন ট্রাস্টি মফিদুল হক, সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট শ্যামালতা রায়, চলচ্চিত্র পরিচালক রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত এবং পরিবেশ ও বন্য প্রাণী সুরক্ষা আন্দোলনকারী শাহরিয়ার সিজার রহমান।

২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো সমাজে বাল্যবিবাহ বন্ধ, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাদান ও সুস্থদের সহযোগিতা করা যুবক ও যুব সংগঠনকে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের আওতায় পুরস্কৃত করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ধারণ করে দুই বছর পরপর এ পুরস্কার দেওয়া হয়। তবে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে এ বছর ব্যবধান কমিয়ে এক বছরেই দেওয়া হচ্ছে এ পুরস্কার।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন