বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আরও জানান, পঞ্চগড়ে আগামী ২ ডিসেম্বর, যশোরে ৬ ডিসেম্বর, গোপালগঞ্জে ৭ ডিসেম্বর, কুমিল্লায় ৮ ডিসেম্বর, জামালপুরে ১১ ডিসেম্বর, কক্সবাজারে ১২ ডিসেম্বর এবং সিলেটে ১৫ ডিসেম্বর আঞ্চলিক মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, মহাসমাবেশের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিজয়ের গল্পগুলো পুনরায় বলা। এ ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানানো ও তাঁদের সম্মান প্রদর্শন করা, যুদ্ধের অসাধারণ গল্পগুলো উপভোগ করা, তরুণদের যুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া, সবাইকে এই বিজয় দিবসের বিশালতা উপলব্ধি করানো এবং মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী দেশব্যাপী উদ্‌যাপন করা এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। মহাসমাবেশে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রদর্শনী, খেলা, কুইজ, আলোচনা, সংবর্ধনা, পুরস্কার বিতরণসহ বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। দিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ অন্যান্য শ্রেণি–পেশার মানুষ অংশ নেবেন।

আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, চলতি বছর জাতীয়ভাবে উদ্‌যাপন করা হচ্ছে মহান স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি। এই আয়োজনের একটি কর্মসূচি হলো ‘পথে পথে বিজয়’ শিরোনামে দেশের বিভিন্ন স্থানে শত্রুমুক্ত হওয়ার দিনে আঞ্চলিক মহাসমাবেশ।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শাজাহান খান, বাণিজ্যসচিব ও সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন কমিটির সদস্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন