বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংস্থার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যান্ত্রিকভাবে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে বর্জ্য সংকোচন করে আয়তন কমানোর কাজটি কমপেক্টরের মাধ্যমে করা হয়। বাসাবাড়ি থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্য অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রে রাখার পর কমপেক্টরের মাধ্যমে এসব বর্জ্য মাতুয়াইল কেন্দ্রীয় ময়লার ভাগাড়ে নিয়ে যাওয়া হবে। ৩০টি কমপেক্টর কিনতে সংস্থাটির আনুমানিক ৬০ কোটি টাকা খরচ হবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র শেখ তাপস বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে ১৫টি ১০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন ও ১৫টি ৭ টন ক্ষমতাসম্পন্ন—মোট ৩০টি কমপেক্টর ভেহিকেল ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মেয়র আরও বলেন, কমপেক্টর কেনা হলে খুব অল্প সময়ে সংগৃহীত বর্জ্য মাতুয়াইল কেন্দ্রীয় ভাগাড়ের নিয়ে যাওয়া হবে। বর্জ্য যেখানে স্তূপাকারে থাকে, সেখানে বাছাইয়ের মাধ্যমে যে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়, তার সুযোগ অনেকাংশে কমে যাবে।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহম্মদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর সিতওয়াত নাঈম, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, অঞ্চল-২-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সোয়ে মেন জো, সাধারণ আসনের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাস ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মো. সিরাজুল ইসলাম ভাট্টি, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর ফারজানা ইয়াসমিন, মাকসুদা শমশের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন