বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর গত বছরের ১৭ মার্চ সারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর তিন দিন পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো বন্ধ করা হয়। করোনা সংক্রমণ কমে আসায় দেড় বছর পর গত মাসে খুলতে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর ধারাবাহিকতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোও খুলছে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত হয়, অন্তত এক ডোজ টিকা নেওয়ার প্রমাণপত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈধ পরিচয়পত্র থাকা সাপেক্ষে স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীদের ৫ অক্টোবর সকাল আটটা থেকে আবাসিক হলে তোলা হবে।

এর মধ্যে গতকাল দুপুরে অমর একুশে হলে তালা ভেঙে কক্ষে উঠে পড়েন শিক্ষার্থীরা। হলের প্রাধ্যক্ষ ইসতিয়াক এম সৈয়দসহ অন্য কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কয়েক দফায় আলোচনায় বসলেও শিক্ষার্থীরা হল ছাড়তে রাজি হননি। গতকাল সন্ধ্যায় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলেও কিছু শিক্ষার্থী উঠে পড়েন। একই খবর পাওয়া গেছে অন্তত আটটি আবাসিক হল থেকে।

হলে উঠে পড়া একাধিক শিক্ষার্থী প্রথম আলোকে জানান, তাঁদের বেশির ভাগই এত দিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকছিলেন। ৫ অক্টোবর হল খোলা হলে এই পাঁচ দিনের জন্য তাঁদের পুরো মাসের বাসা ভাড়া দিতে হবে। তাঁরা বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে কোনো কাজ না হওয়ায় নিজেরাই হলে উঠতে বাধ্য হয়েছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী প্রথম আলোকে বলেন, ‘যে প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীরা হলে উঠেছে, সেটি ভুল হয়েছে। ভুলটা না করে তাদের উচিত ছিল, প্রভোস্ট হলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা, তাঁর সঙ্গে কথা বলা এবং যে বিষয়গুলো তারা বলেছে, সেগুলো তারা আগেও বলতে পারত। অবশ্য আমরা জানতে পেরেছি, কিছু শিক্ষার্থীর অবস্থা সত্যি খুব মানবেতর। তাঁদের বিষয়টি আমরা বিবেচনায় রাখছি।’
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির জরুরি সভাটি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান প্রক্টর।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন