বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে আজ রোববারও রাজধানী ঢাকায় পালিত হচ্ছে পরিবহনমালিক ও শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘট। মহানগরীর ভেতরে আজও চলাচল করছে না কোনো বাস। রাজধানী থেকে ছেড়ে যাচ্ছে না আন্তজেলা ও দূরপাল্লার গণপরিবহন।

আজ সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও খোলা। বাস বন্ধ থাকায় নির্ধারিত সময়ে অফিসে যেতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে অনেককে। বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিআরটিসির কিছু বাস ছাড়া কোনো বাস চলতে দেখা যাচ্ছে না।

বাস চলাচল বন্ধ থাকায় রাজধানীর সড়কে বেড়েছে ব্যক্তিগত গাড়ি, রিকশা, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা। অফিসগামী ব্যক্তিরা বিকল্প এসব বাহনে যাতায়াত করছেন। অনেকেই তিন থেকে চার গুণ বাড়তি ভাড়ায় এসব বাহনে কর্মস্থলসহ নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাচ্ছেন। বাড়তি ভাড়ার কারণে অনেকে হেঁটে যাতায়াত করেছেন। গণপরিবহন নিয়ে সাধারণ মানুষের একরাশ ক্ষোভ।

মিরপুর ১১ থেকে বনানীর কর্মস্থলে যাচ্ছেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা তাহমিদ ইমাম। এ পথে যেতে তাঁর খরচ হয় ৪৫ টাকা। অথচ গত বৃহস্পতিবার মোটরসাইকেলের শরিকি যাত্রায় (রাইড শেয়ারিং) যেতে খরচ হয়েছে ১১০ টাকা। একই পথে অটোরিকশায় যেতে খরচ হয় ৩০০ টাকা। তাহমিদ ইমাম বলেন, ‘ভাড়া নিয়ে এমন কাহিনিতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হয়। আমাদের বেতন তো নির্দিষ্ট। এসবের কারণে চাপে পড়তে হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘অফিস টাইম ১০টায়। কিন্তু তার অনেক আগে বাসা থেকে বের হতে হয়। রাস্তায় নেমে রিকশা, অটোরিকশা সহজে পাওয়া যায় না। কারণ সবাই অফিসে যাচ্ছে। এই ভোগান্তির শেষ কোথায়?’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন