বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মোহাম্মদপুর থানার ওসি আবদুল লতিফ প্রথম আলোকে বলেন, আসামি গোলাম সরোয়ারকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করে এ ঘটনায় আর কে কে জড়িত, তাঁদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। মামলায় উল্লেখ করা দালালকে এখনো চিহ্নিত করা যায়নি। এ বিষয়েও গোলাম সরোয়ারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। মামলার আসামির পাশাপাশি তদন্তে যাঁদের নাম আসবে, সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

এদিকে গতকাল বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে মারা যাওয়া শিশু আহমেদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। সন্ধ্যায় শিশুটির লাশ মামা মেহেদী হাসানের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। মেহেদী তাঁর বাড়ি সাভারের ভাটপাড়ায় আহমেদের লাশ নিয়ে যান।

আর শিশু আবদুল্লাহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের পেডিয়াট্রিক হাই ডিপেন্ডেন্সিতে (এইচডিইউ) চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা আগের চেয়ে ভালো বলে প্রথম আলোকে জানান শিশু বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক আমিনুল ইসলাম।

যমজ শিশুর মামা মেহেদী হাসান প্রথম আলোকে বলেন, পরিবারের সদস্যদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাতে জানাজা শেষে ভাটপাড়াতেই আহমেদের লাশ দাফন করা হয়েছে। তাঁর বোন আয়েশা আক্তার শিশু আবদুল্লাহর সঙ্গে আছেন।

গত ৩১ ডিসেম্বর যমজ শিশুকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন মা আয়েশা আক্তার। এক দালালের খপ্পরে পড়ে ২ জানুয়ারি শিশু দুটিকে শ্যামলীর আমার বাংলাদেশ নামে একটি নামসর্বস্ব হাসপাতালে ভর্তি করেন। তিন দিন পর (৫ জানুয়ারি) আয়েশাকে ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা বিল ধরিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সৌদিপ্রবাসী স্বামী মো. জামালের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা এনে পরিশোধ করার পরও ৬ জানুয়ারি যমজ সন্তানকে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে আহমেদ নামের শিশুটি মারা যায়।

সেই হাসপাতালে কেউ নেই

রাজধানীর শ্যামলী ওভারব্রিজের কাছে একটি ভবনের ১০ তলায় আমার বাংলাদেশ হাসপাতালের অবস্থান। গতকাল সন্ধ্যায় ১০ তলায় গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের নামের সাইনবোর্ড টানানো দুটি প্রবেশমুখের দরজায় আধা ঘণ্টা ধরে কড়া নাড়ার পরও সাড়া মেলেনি। ওই হাসপাতালের পাশেই রয়েছে হাসান ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানের অফিস। সেটিও বন্ধ পাওয়া গেছে। ওই ভবনের নিরাপত্তাকর্মীরা বলছেন, শুক্রবার র‌্যাবের অভিযানের পর হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স এবং অন্য কর্মীরা চলে গেছেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন