বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ৭ থেকে ২০ জুলাই, দুই সপ্তাহে সারা দেশে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যান ৭৯৬ জন। এর পরের দুই সপ্তাহে ২১ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যান ৭০০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত করোনা বিজ্ঞপ্তির হিসাব অনুযায়ী, ৭ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে দেশে করোনায় মারা গেছেন ৬ হাজার ৫ জন। ৭ জুলাই দেশে করোনার মৃত্যুর সংখ্যা প্রথম ২০০ ছাড়িয়ে ২০১ হয়। আর ৩ আগস্ট দেশে করোনায় মারা যান ২৩৫ জন।

গতকাল প্রকাশ করা বিপিও প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ৭ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত করোনার উপসর্গ নিয়ে সর্বোচ্চ ৫১০ জন মারা গেছেন রাজশাহী জেলায়। একই সময়ে সাতক্ষীরায় ৩৪৫ জন, বরিশালে ৩৩২, বগুড়ায় ২৮৫, কুমিল্লায় ২৫২, ময়মনসিংহে ২৪৫, চাঁদপুরে ২১৬, খুলনায় ১৮৩, ফরিদপুরে ১৫৩ ও চট্টগ্রামে ১১৬ জন মারা গেছেন করোনার উপসর্গে।

আর বিভাগের মধ্যে গত বছরের মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত করোনার উপসর্গে সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৫৮ জন মারা গেছেন রাজশাহী বিভাগে। খুলনা বিভাগে ৯৭০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৭২, ঢাকায় ৫৯৩, বরিশালে ৫০১, ময়মনসিংহে ৩৩৮, সিলেটে ১০৩ ও রংপুর বিভাগে ১০০ জন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

বিপিওর হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত করোনার উপসর্গে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যা সাড়ে সাত গুণ বেশি। নারী মারা গেছেন ৫১৩ জন। আর পুরুষ মারা গেছেন ৩ হাজার ৯২২ জন।

বিপিও গত বছরের ৮ মার্চ থেকে করোনার বিষয়ে গণমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য সংগ্রহ করে প্রতি সপ্তাহে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে গত বছরের ১ মার্চ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত দেশের ২৫টি গণমাধ্যমের সংবাদ বিশ্লেষণ করে এবারের বিপিও প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। বিপিও প্রতিবেদন বলছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাসের শুরু পর্যন্ত দেশে করোনার উপসর্গে মৃত্যু কমেছিল। ১৩ মে থেকে ২৫ মে পর্যন্ত করোনার উপসর্গ নিয়ে কেউ মারা যাননি। ২৬ মে থেকে দেশে করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু আবার বেড়েছে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন