বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খুরশিদ আলম নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘নিবন্ধন করার দেড় মাস পরেও এসএমএস আসেনি। গতকাল সোমবার খবর পেলাম, গণটিকা দেওয়া হবে। তাই আজ টিকা নিতে চলে এসেছি। টিকা দেওয়াও শেষ।’

এই কেন্দ্রের টিকাকর্মী মো. নাছির উদ্দীন বলেন, ‘প্রথম দফা গণটিকার সময় লোকজনের খুব ভিড় ছিল। তবে এবার ভিড় নেই। হঠাৎ করে হওয়ায় অনেকে হয়তো গণটিকা সম্পর্কে জানতে পারেনি। আবার সিনোফার্মের টিকায় কারও কারও আগ্রহ কম। তাই আজ ভিড়ও কম। তবে আমরা ৫০০ ডোজ টিকা শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেব।’

নগরের ২১ নম্বর জামালখান ওয়ার্ড কেন্দ্রে আবার সকাল থেকে নারী-পুরুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। বেলা পৌনে ১১টায় সব মিলিয়ে অন্তত ১৫ জনকে লাইনে দেখা গেছে।

কেন্দ্রের টিকা তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত আবদুল কুদ্দুছ বলেন, ‘সকাল থেকে লোকজন টিকা নিতে আসছেন। ইতিমধ্যে শতাধিক মানুষকে টিকা দিয়েছি। নিবন্ধনধারী যিনিই আসছেন, তাঁকেই টিকা দেওয়া হচ্ছে।’

নগরের ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের জয়তারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও আজ সকালে টিকাপ্রত্যাশীদের তেমন ভিড় দেখা যায়নি।

৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে অবশ্য সকালে ৩০ থেকে ৪০ জনকে সারি ধরে অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে। এখানকার টিকাকর্মীরা জানান, আগের গণটিকা কার্যক্রমের তুলনায় এবার লোক কম আসছে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন