বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মোহাম্মদ আসিফ হোসেন খান প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৮ হাজারের মতো। এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী করোনার টিকার অন্তত একটি ডোজ পেয়েছেন। এর পরিমাণ ৫২ দশমিক ৬৩ শতাংশ। পাশাপাশি ছয় হাজার শিক্ষার্থী নিবন্ধনের জন্য আবেদন করে টিকা পাওয়ার অপেক্ষায়। বাকিরা এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ওয়েবলিংকে টিকাবিষয়ক তথ্য দেননি।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো আগামী ৫ অক্টোবর সকাল আটটা থেকে খুলে দেওয়ার সুপারিশের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিষদ (একাডেমিক কাউন্সিল)। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এখন কাল শনিবার অনুষ্ঠেয় সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদন পেলে ওই দিন থেকে হলগুলো খুলে দেওয়া হবে। তবে শুরুতে শুধু স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা হলে উঠতে পারবেন।

হল খোলা ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ও সেমিনার গ্রন্থাগারগুলো ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তও শিক্ষা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই শিক্ষার্থীদের অন্তত এক ডোজ টিকা নেওয়ার প্রমাণপত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র থাকার শর্ত দেওয়া হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫ অক্টোবর শুধু স্নাতক শেষ বর্ষ ও স্নাতকোত্তরের জন্য হল খোলার পর তাঁদের ক্লাস ও পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে। পরীক্ষা শেষে তাঁরা (স্নাতক ও স্নাতকোত্তর) চলে যাওয়ার পর মধ্য নভেম্বরে প্রথম বর্ষ থেকে তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের হলে উঠিয়ে সরাসরি পরীক্ষা ও শ্রেণি কার্যক্রমে যুক্ত করা হবে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন