স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ। আগের ২৪ ঘণ্টায় এ হার ছিল ১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, এখন পর্যন্ত দেশে ১৯ লাখ ৫১ হাজার ২৩৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ১৩১ জন। সুস্থতার হার ৯৬ দশমিক ২ শতাংশ। আর আজ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৯ হাজার ১১৮ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়। ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর জানানো হয়। শুরুতে মৃত্যু অনিয়মিত থাকলেও ওই বছরের ৪ এপ্রিল থেকে করোনায় মৃত্যু ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এর পর থেকে দুই বছর ধরে চলা এই মহামারিকালে গত বছরের ২১ নভেম্বর ও ৯ ডিসেম্বর—এই দুই দিন ছিল করোনায় মৃত্যুশূন্য।

শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে করোনা সংক্রমণের চিত্রে কয়েক দফা ওঠানামা দেখা গেছে। দেশে করোনা পরিস্থিতি প্রায় সাড়ে তিন মাস নিয়ন্ত্রণে থাকার পর গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। করোনার নতুন ধরন অমিক্রনের প্রভাবে দ্রুত বাড়তে থাকে রোগী শনাক্ত ও শনাক্তের হার। গত ৬ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হাজার ছাড়ায়। এর দুই সপ্তাহের মাথায় ২০ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্ত ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায়।

সংক্রমণ বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় দৈনিক রোগী শনাক্ত ১৫ হাজারের ওপরে উঠেছিল। ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তা ১০ হাজারের ওপরেই ছিল। এরপর নিয়মিতভাবে রোগী শনাক্ত ও শনাক্তের হার কমছে। দেশে করোনা সংক্রমণ কমায় আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। তুলে নেওয়া হয়েছে বিধিনিষেধ।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন