সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে মোট ২১ হাজার ৫৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ২৪ শতাংশ। আগের দিন শনাক্তের হার ছিল ১ দশমিক ৫ শতাংশ।

গত বছরের মার্চে দেশে প্রথম করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ৮২৭। তাঁদের মধ্যে মারা গেছেন ২৭ হাজার ৯৮৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৬৬১ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩১৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে দুজন নারী একজন পুরুষ। তাঁদের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগে। বাকি পাঁচ বিভাগে কারও মৃত্যু হয়নি।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম করোনা সংক্রমণ দেখা দেয়। কয়েক মাসের মধ্যে এ ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যুর খবর জানানো হয় একই বছরের ১৮ মার্চ।

এরপর বিভিন্ন সময় করোনা সংক্রমণ কমবেশি হয়েছে। তবে চলতি বছরের মে মাসের শেষের দিকে দেশে করোনার ডেলটা ধরনের দাপটে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে। গত আগস্টের প্রথম দিকে করোনার গণটিকা দেওয়া শুরু হয়। এরপর সংক্রমণ ও মৃত্যু উভয়ই কমতে শুরু করে।

এদিকে সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়া করোনার নতুন ধরন অমিক্রন নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার এই ধরন আগের সব ধরনের চেয়ে বেশি সংক্রামক হতে পারে। তা ছাড়া এখন পর্যন্ত উদ্ভাবিত করোনার টিকাগুলো করোনার এই ধরন মোকাবিলায় কার্যকর না–ও হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে আফ্রিকা থেকে আসা ব্যক্তিদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন