default-image

মুকুল গাঙ্গুলি, ৮৩ বছরের অবসরপ্রাপ্ত পুর প্রকৌশলী। কলকাতার সল্ট লেকে ছোট্ট একটি দোতলা বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করেন। স্ত্রী ফরেনসিক বিশ্লেষক হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। গত বছরের ডিসেম্বরের শুরুর দিকে, বিভিন্ন দেশ যখন করোনা মহামারিতে কাবু তখনো প্রাত্যহিক কাজগুলো নির্বিঘ্নে করছিলেন এ দম্পতি। কাপড়ের ব্যাগ হাতে বাজারে গিয়ে দরদাম করে মাছ কেনা মুকুল গাঙ্গুলির প্রতিদিনের কাজের অংশ ছিল। লোকে লোকারণ্য বাজারে যেতে বারণ করলেও শুনতেন না। যদিও মাস্ক পরতেন।

হঠাৎই জ্বর আসে মুকুলের। সঙ্গে শুকনা কাশি ও ভীষণ দুর্বলতা। তাঁর পুত্রবধূ আমার আত্মীয়। থাকেন নিউ জার্সিতে। ফোনে উদ্বিগ্ন কণ্ঠে জানালেন, বাবার করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাঁকে বাড়িতেই আলাদা কক্ষে রাখা হয়েছে। প্রতিদিন নিয়ম করে দুবার অক্সিজেন মাপা হচ্ছে। বাড়িতে অক্সিজেন সিলিন্ডার জোগাড় করে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলছেন তিনি। ডিসেম্বরের শেষ দিকে মুকুল গাঙ্গুলির সঙ্গে আমার কথা হলো। বললেন, ‘এখন সুস্থ আছি। এখানে আমার বয়সী অনেক বন্ধুবান্ধব করোনায় ভুগেছেন। বেশির ভাগই সুস্থ হয়েছেন।’

মুম্বাইয়ে আমার একজন চিকিৎসক বন্ধু আছেন, শশাঙ্ক যোশী। তিনি মহারাষ্ট্রের কোভিড-১৯ টাস্কফোর্সের সদস্য। গত বসন্তে যখন করোনার প্রথম ঢেউ আসে, তখন যোশী মুম্বাইয়ের ধারাবি বস্তিতে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। সরকারি উদ্যোগে ফিল্ড হাসপাতাল চালুর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মাঠে থেকে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় কাজ করেছেন। ওই সময় ধারণা করা হচ্ছিল, এশিয়ার সবচেয়ে বড়, জনাকীর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর এ বস্তিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে অচিরেই তিন থেকে পাঁচ হাজার মানুষ মারা যেতে পারেন। তবে ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ সেখানে করোনায় ভুগে কয়েক শ মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

অথচ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আমরা দেখেছি নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলসের হাসপাতালগুলোয় ঠাঁই নেই অবস্থা। আমি নিউইয়র্কে যে হাসপাতালে কাজ করি, সেটার সামনেও অ্যাম্বুলেন্সের দীর্ঘ সারি দেখেছি। শয্যা ছাপিয়ে করিডর করোনা রোগীতে ভর্তি। চিকিৎসক, নার্সদের দম ফেলার ফুরসত নেই। আইসিইউ, অক্সিজেন নিয়ে হাহাকার। এমনকি করোনায় মৃতদের দেহে ভরে উঠেছে মর্গ। কবরস্থানে জায়গা হচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

উল্টো চিত্র

আমরা আগে দেখেছি, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড, ডিফথেরিয়ার মতো ভাইরাসজনিত রোগে তুলনামূলক গরিব দেশগুলোর মানুষ বেশি ভুগতেন। মারাও যেতেন বেশি। কিন্তু করোনার ক্ষেত্রে উল্টো চিত্র দেখা গেছে। মুম্বাইয়ের বস্তির যে চিত্র শশাঙ্কের কাছ থেকে জানলাম, সেটার সঙ্গে আমার দেখা নিউইয়র্কের চিত্র মেলে না। বরং করোনায় মৃত্যুতে এগিয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালি, বেলজিয়াম, স্পেনের মতো তুলনামূলক উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থার দেশগুলো।

জনবহুল ভারতে স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অপ্রতুল, এটা সবার জানা। তারপরও গত এক বছরে দেশটিতে সংক্রমণ ও মৃত্যুহার বেশ কম ছিল। এমনকি বিশ্বের সবচেয়ে ঘিঞ্জি বস্তি মুম্বাইয়ের ধারাবিতে করোনায় মারা যাওয়ার সংখ্যাও বেশ কম। যদিও এখন সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় ভারতের পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। আফ্রিকার চিত্রও উন্নত দেশগুলোর বিপরীত। এ মহাদেশের সবচেয়ে জনবহুল দেশ নাইজেরিয়া। দেশটিতেও করোনায় মৃত্যুর হার তুলনামূলক কম। স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে চ্যালেঞ্জ থাকার পরও দক্ষিণ এশিয়া ও সাব-সাহারা অঞ্চলের দেশগুলোয় করোনায় নিম্ন মৃত্যুহার বিশেষজ্ঞদের নজর কেড়েছে।

গত কয়েক মাস আমি এটা নিয়ে ভেবেছি। কথা বলেছি অনেকের সঙ্গে। উত্তর জানার চেষ্টা করেছি। জনমিতিক কাঠামো এখানে অন্যতম কারণ হতে পারে? উন্নয়নশীল দেশের সরকারগুলো তথ্য আড়ালের চেষ্টা করছে? নাকি এসব দেশ ত্বরিত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে মহামারির রাশ টানতে ঈর্ষণীয় সাফল্য দেখিয়েছে? এমন নানা প্রশ্ন মনের কোণে উঁকি দিয়েছে।

এখন যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনার নতুন ধরন বিশ্বজুড়ে ভীতি ছড়িয়েছে। করোনার এসব ধরন অতি সংক্রামক। মৃত্যুহারও তুলনামূলক বেশি। এর পরও কয়েকটি অঞ্চলের মানুষ করোনায় তুলনামূলক কম মারা যাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের কাছে এটা এখনো রহস্য হয়ে রয়ে গেছে।

বয়সও কারণ হতে পারে

ইয়েল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতিবিদ মুশফিক মোবারক উন্নয়নশীল দেশগুলোয় করোনা পরিস্থিতি নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি নিজে জনবহুল বাংলাদেশে বেড়ে উঠেছেন। বাংলাদেশেও করোনায় মৃত্যুহার যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেকটাই কম। মোবারক জানালেন, অঞ্চলভেদে করোনায় মৃত্যুহারে ১০ থেকে ১০০ গুণ পার্থক্যের তথ্য মোটেও অবহেলা করা যাবে না। এখানে অনেক একক বিবেচনায় নিতে হবে। চলতি মহামারি কিংবা ভবিষ্যতের প্রতিটি মহামারির জন্য এ রহস্য শিক্ষা হয়ে রইবে।

এ রহস্যের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে মোবারক বললেন, অন্যতম কারণ হতে পারে বয়সভিত্তিক জনমিতিক কাঠামো। ভারতের উদাহরণ দিয়ে তিনি বোঝালেন, দেশটিতে তরুণের সংখ্যা বেশি। ভারতের জনমিতিক পরিসংখ্যানে ২৮ বছর বয়সীদের আধিক্য বেশি। স্পেন ও ইতালিতে তা যথাক্রমে ৪৪ ও ৪৭ বছর। ৩০ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে করোনায় মৃত্যুঝুঁকি প্রতি আট বছরে প্রায় দ্বিগুণ বাড়ে (অর্থাৎ ৩০ বছর বয়সী করোনা রোগীর তুলনায় ৩৮ বছর বয়সী রোগীর মৃত্যুঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ। একইভাবে ৪৬ বছর বয়সীদের মৃত্যুঝুঁকি ৩৮ বছর বয়সীদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ)। বিষয়টি তুলনায় নিলে আমরা বুঝতে পারব কেন সেনেগালের তুলনায় স্পেনে, পাকিস্তানের তুলনায় ইতালিতে বেশি মানুষ করোনায় মারা গেছেন।

এখানে জিডিপি একটা বড় ভূমিকা রেখেছে বলেও মনে করছেন মোবারক। তিনি বললেন, যেসব দেশের মাথাপিছু জিডিপির আকার বড়, সেখানে পরিবারের সদস্যসংখ্যা কম। ২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যে মাথাপিছু জিডিপি ছিল ৪২ হাজার ডলার। পরিবারের গড় সদস্যসংখ্যা ২ দশমিক ৩ জন। একই সময়ে আফ্রিকার বেনিনে মাথাপিছু জিডিপি ছিল ১২ হাজার ডলার। পরিবারের গড় সদস্য ৫ দশমিক ২ জন। অর্থাৎ ধনী দেশগুলোর মানুষ ছোট পরিবারে বিশ্বাসী। পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের তাঁরা বৃদ্ধাশ্রমে রাখেন।

নিউইয়র্ক কিংবা ইউরোপের দেশগুলোয় দেখুন। করোনায় বৃদ্ধাশ্রমে থাকা বয়স্ক মানুষ বেশি ভুগেছেন। তাঁরা সহজেই সংক্রমিত হয়েছেন, মারা গেছেন, বলছিলেন মুশফিক মোবারক। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মারা যাওয়া মানুষের এক-তৃতীয়াংশ বয়স্ক, দীর্ঘদিন ধরে অসুখে ভুগেছেন, বৃদ্ধাশ্রমে ছিলেন। আর তাঁদের থেকে ভিন্ন পরিবেশে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করায় বয়স্ক হলেও কলকাতার মুকুল গাঙ্গুলি ও তাঁর বন্ধুরা করোনা জয় করতে পেরেছেন।

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্যবিধি মানা গুরুত্বপূর্ণ

বড় পরিবারে বসবাস করলে শারীরিক দূরত্ব মেনে চলার সুযোগ কম পাওয়া যায়। এতে বয়স্কদের মধ্যে দ্রুত সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়ে যায়। এটাও আমাদের মাথায় রাখতে হবে। লন্ডনের ইম্পিরিয়াল কলেজের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির যোগাযোগের মাত্রার তারতম্যের ওপর করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার ওঠানামা করে। এ কারণে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় দক্ষিণ এশিয়া ও সাব-সাহারায় মৃত্যু বাড়তে শুরু করেছে। কেননা, গত বছরের এই সময়ের তুলনায় এখন এসব দেশে দূরত্ব বজায় রাখা, স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা কম দেখা যাচ্ছে।

আমি অ্যাবিওলা ফাসিনার সঙ্গেও কথা বলেছি। ফাসিনা নাইজেরিয়ার লাগোসে জরুরি চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। মহামারির শুরুর দিকে তিনি কাজের অংশ হিসেবে একাধিক ফিল্ড হাসপাতালে ঘুরেছেন। তিনি বলছিলেন, গত বছরের এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি হাসপাতালের ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ কোভিড-১৯ রোগীতে ভরা ছিল। তাঁদের বেশির ভাগের কোনো উপসর্গ ছিল না। থাকলেও তা মৃদু। সময় যত গড়িয়েছে, এ প্রবণতা বদলে গেছে। এখন উপসর্গবিহীন কিংবা মৃদু উপসর্গ নিয়ে রোগী কম আসছে। অথচ এখন মানুষের জীবনযাত্রা ওই সময়ের তুলনায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। দোকানপাট খোলা রয়েছে। মানুষ বাজারে ঘুরছেন। অনেকে মাস্ক ছাড়াই বাইরে চলাফেরা করছেন। এভাবে চললে দ্বিতীয় ঢেউয়ের লাগাম টানা কঠিন হয়ে যাবে।

অনেকটা একই সুরে বলছিলেন মোবারক। তিনি বাংলাদেশের মানুষের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে অনীহার কথা জানিয়ে বলেন, মানুষ লকডাউন মানতে চান না। অর্থনৈতিক কারণে মানুষ জীবনকে প্রাধান্য দিচ্ছেন কম। ঝুঁকি নিচ্ছেন। নিজেকে ও আপনজনদের ঝুঁকিতে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন। এভাবে চললে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু—দুটোই বেড়ে যেতে পারে।

আসল পরিসংখ্যান পাওয়া কঠিন

ইম্পিরিয়াল কলেজ লন্ডনের মহামারি বিশেষজ্ঞ অলিভার ওয়াটস জানান, করোনার তথ্য ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা রয়ে গেছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোয় করোনা পরীক্ষার হার তুলনামূলক কম। ফলে অনেক সময় কেউ করোনায় মারা গেলেও স্বজনেরা বুঝতে পারেন না। ম্যালেরিয়ার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে একজনের মৃত্যুর কারণ শনাক্ত করা সম্ভব হয়। গরিব দেশগুলোয় এ হার আরও কম। ২০ জনে ১ জন। করোনার ক্ষেত্রে তা ১০ জনে ১ জন। উপসর্গ নিয়ে কিংবা উপসর্গ ছাড়াই অনেকে মারা যাচ্ছেন। অনেকে হাসপাতালে যাচ্ছেন না। রোগে ভুগে বাড়িতে মারা যাচ্ছেন। সরকারি পরিসংখ্যানে তাঁদের নাম যুক্ত হচ্ছে না। মহামারি নিয়ন্ত্রণের পথে এটি বড় একটি দুর্বলতা। তাই সন্দেহ হলেই করোনার পরীক্ষা করাতে হবে। চিকিৎসা নিতে হবে।

মহামারির মধ্যে ভারতে খানা জরিপ পরিচালনা করেছেন অজয় শাহ ও রেনুকা সানে। অজয় জানালেন, গত বছরের মে থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে দেশটিতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা আগের পাঁচ বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। যদিও করোনার কারণে এমনটা হয়েছে কি না, তা বলা যাবে না। তবে শহুরে তরুণ ও শহরের মানুষের মধ্যে মৃত্যুহার বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গত বছর সাব-সাহারা অঞ্চলে করোনার চেয়ে ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা, এইডসে ভুগে বেশি মানুষ মারা গেছে। মহামারির কারণে অনেকেই হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে পারেননি। ফলে এসব রোগ প্রাণঘাতী হয়েছে বেশি। এ পরিস্থিতি পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

জীবন নাকি জীবিকা

গত বছর সংক্রমণের প্রথম ঢেউয়ের সময় বিভিন্ন দেশের সরকার ও মানুষ করণীয় নিয়ে সন্দিহান ছিল না। আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডায় এক দশক ধরে কাজ করছেন হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের গবেষক বেথানি হেডট। সেখানকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তিনি বলেন, ওই সময় করণীয় নিয়ে সরকারের সুস্পষ্ট ধারণা ছিল। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল। স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বিয়ে, শেষকৃত্যের মতো সামাজিক আয়োজন ছিল নিষিদ্ধ। এর ফলে সংক্রমণ ও মৃত্যু—দুটোই
ছিল সীমিত।

তবে দীর্ঘদিন সবকিছু বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। বিশেষত গরিব দেশগুলোর জন্য এটা চ্যালেঞ্জিং। অর্থনীতি রক্ষা করতে গিয়ে তাদের ছাড় দিতে হয়েছে, হচ্ছে। জীবন ও জীবিকা থেকে যেকোনো একটিকে প্রাধান্য দিতে হয়েছে। এ পরিস্থিতি দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার অনেক দেশেই নতুন করে করোনার সংক্রমণ বাড়িয়ে তুলেছে। (সংক্ষেপিত)

● ইংরেজি থেকে অনুবাদ অনিন্দ্য সাইমুম

বিজ্ঞাপন
করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন